Posts

Showing posts with the label রাজ্য

​ছবি তুলেই অভিযোগ, পরিচ্ছন্নতা অভিযানে রাজ্যের ‘স্বচ্ছ অ্যাপ’

Image
​   সংবাদদাতা, নিউজ হিন্দুস্থান -:         রাজ্যের শহর ও পুর এলাকাগুলিকে আরও পরিচ্ছন্ন ও আবর্জনামুক্ত করে তুলতে বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ঘোষণা করেছেন, শনিবার থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হচ্ছে ‘স্বচ্ছ অ্যাপ’। এই প্রযুক্তিনির্ভর অ্যাপের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ এখন থেকে রাস্তায় পড়ে থাকা জঞ্জাল, নিকাশি সমস্যা বা অন্য কোনো নাগরিক পরিষেবার অভাবের ছবি তুলে সরাসরি প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানাতে পারবেন।           ​প্রাথমিকভাবে রাজ্যের ১০টি পুরসভায় পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে এই পরিষেবা শুরু হচ্ছে। পুরমন্ত্রী জানিয়েছেন, শহর পরিষ্কার রাখার মূল চাবিকাঠি হলো জনসচেতনতা। তাই অ্যাপ চালুর পাশাপাশি আগামী তিন মাস রাজ্যজুড়ে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হবে। এই সময়ের মধ্যে প্রতিটি এলাকায় প্রতি ১০০ মিটার অন্তর নতুন ডাস্টবিন বসানোর কাজও সম্পন্ন করবে সরকার।       ​প্রশাসন সূত্রে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নিয়ম ভাঙলে আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে জরিমানার মুখে পড়তে হবে নাগরিকদের। রাস্তায় ময়লা ফেলা, থুতু বা পানের পিক ফেলার...

গুজবে কান দেবেন না, রাজ্যে পেট্রোল ও এলপিজির জোগান সম্পূর্ণ স্বাভাবিক: আশ্বাস ইন্ডিয়ান অয়েলের

Image
​ সংবাদদাতা, নিউজ হিন্দুস্থান -:         পশ্চিমবঙ্গে পেট্রোল, ডিজেল এবং রান্নার গ্যাসের সরবরাহ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও পর্যাপ্ত রয়েছে। রাজ্যজুড়ে ইন্ডিয়ান অয়েল, ভারত পেট্রোলিয়াম এবং হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়ামের মতো রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলির কাজকর্ম সম্পূর্ণ মসৃণভাবে চলছে। ফলে অযথা আতঙ্কিত হয়ে জ্বালানি মজুত না করার জন্য সাধারণ নাগরিকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।        ​পেট্রোপণ্য ক্ষেত্রের রাজ্যস্তরীয় কো-অর্ডিনেটর তথা ইন্ডিয়ান অয়েলের পূর্বাঞ্চলীয় এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর জিতেন্দ্র কুমার আজ এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাজ্যের সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে লজিস্টিক্স, মজুত এবং খুচরো বিপণন সংক্রান্ত সমস্ত বিষয়ের ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে, যাতে জ্বালানি সরবরাহে কোনো ঘাটতি তৈরি না হয়।       ​তিনি সাধারণ মানুষকে কোনো ধরনের গুজবে কান না দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন এবং সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো বিভ্রান্তিকর খবর এড়িয়ে সরাসরি সংস্থার অফিসিয়াল বিবৃতির ওপর আস্থা রাখতে বলেছেন। পাম্পগুলিতে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে বলেও আশ...

কালজয়ী প্রতিভা- বিশ্ববরেণ্য চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়ের জন্মজয়ন্তী

Image
সংবাদদাতা, নিউজ হিন্দুস্থান-:      ​ ২রা মে- বাঙালির শিল্প-সংস্কৃতির ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। ১৯২১ সালের এই দিনেই জন্মেছিলেন এমন এক মানুষ, যিনি কেবল বাংলা সিনেমাকেই নয়, ভারতীয় চলচ্চিত্রকে বিশ্বমঞ্চে এক অনন্য উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। চলচ্চিত্রকার, সাহিত্যিক, চিত্রকর এবং সঙ্গীতকার- বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী সেই মহান শিল্পী সত্যজিৎ রায়ের জন্মবার্ষিকীতে আজ শ্রদ্ধা জানাচ্ছে গোটা বিশ্ব। ​           ​সাহিত্যিক সুকুমার রায়ের সুযোগ্য পুত্র সত্যজিতের শৈশব কেটেছে সৃজনশীল আবহে। শান্তিনিকেতনে শিক্ষালাভের সময়ই তাঁর শিল্পের সূক্ষ্মবোধ তৈরি হয়েছিল। পেশাদার জীবন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে শুরু করলেও ১৯৫৫ সালে ‘পথের পাঁচালী’ নির্মাণের মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে তাঁর অভাবনীয় পদার্পণ ঘটে। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাসকে তিনি যেভাবে সেলুলয়েডে বন্দি করেছিলেন, তা দেখে বিশ্বখ্যাত চলচ্চিত্রকার আকিরা কুরোসাওয়া বলেছিলেন, "পৃথিবীতে বাস করে সত্যজিতের সিনেমা না দেখা মানে সূর্য বা চন্দ্র না দেখে বাস করা।" ​          ​সত্যজিৎ...

জনসংযোগে নতুন পদক্ষেপ শাসকদলের

Image
রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, কলকাতা -:         রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে জনসংযোগ ও প্রচারের নয়া রণনীতি হিসাবে সাধারণ মানুষের কাছে দলের সঠিক বার্তা পৌঁছে দিতে নিজেদের মিডিয়া সেলকে সম্পূর্ণ ঢেলে সাজাল তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যস্তরে ৪০ জনের পাশাপাশি প্রতিটি জেলায় অন্তত দু'জন করে মুখপাত্র নিয়োগ করা হচ্ছে। মূল লক্ষ্য বিরোধীদের যেকোনো কুৎসার মোকাবিলা করা এবং দলের অবস্থান আরও স্পষ্টভাবে মানুষের সামনে তুলে ধরা।       তৃণমূল সূত্রে জানা যাচ্ছে, ১২ ই মার্চ থেকেই সম্পূর্ণ নতুন রূপে কাজ শুরু করতে চলেছে শাসকদলের এই মিডিয়া সেল। বিভিন্ন ইস্যুতে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য তৃণমূল ভবনে প্রতিদিন দলের মুখপাত্ররা উপস্থিত থাকবেন । এর জন্য একটি সুনির্দিষ্ট রুটিনও তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে। ভোটের ময়দানে এরা দলের হয়ে সক্রিয়ভাবে প্রচারের মুখ হবেন ।       এই প্রথম রাজ্যের প্রতিটি জেলায় তৃণমূলের পক্ষ থেকে দুই থেকে চারজন করে মুখপাত্র নিয়োগ করা হচ্ছে। স্থানীয় ইস্যুগুলি সম্পর্কে সংবাদমাধ্যম এবং সাধারণের কাছে দলের হয়ে মুখ খুলবেন। এখন দেখার ...

'সার' - নির্বাচন কমিশনের তুঘলকি কাণ্ডে বিপাকে সাধারণ মানুষ

Image
  রিমা ঘোষ-: কমিশনের নির্দেশ মত নাম ও পদবীর বানান থেকে শুরু করে সমস্ত কিছু নিয়মমাফিক হলেও     বহু ভোটারের নাম উঠেছে ‘সন্দেহজনক’ ভোটার তালিকায়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে 'আনম্যাপড' ও 'লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি'র তালিকা প্রকাশ্যে আসতেই সামনে এল জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তুঘলকি কাণ্ড। এতেই বিপাকে পড়তে চলেছে লক্ষ লক্ষ ভোটার। এরপর তাদের কী করণীয় সেটা ভেবেই তারা দিশেহারা। তাদের প্রশ্ন, সব ঠিক থাকার পরেও কেন তাদের সন্দেহজনক আখ্যা দেওয়া হলো? 'সার' সঙ্গে যুক্ত কোনো স্তরের আধিকারিকদের কাছ থেকে এই বিষয়ে স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যাচ্ছেনা। প্রযুক্তিগত বিষয় বলে এড়িয়ে যাচ্ছেন। ভোটারদের মতে এটা  রীতিমত অপমানজনক। এই অপমানের জ্বালায় কেউ যদি কোনো অঘটন ঘটিয়ে ফেলে তার দায় কে নেবে - নির্বাচন কমিশন অথবা রাষ্ট্র?        নির্বাচন কমিশনের এই তুঘলকি সিদ্ধান্তের জন্য শুনানির জন্য ডাক পড়ছে। তারা হেনস্থার শিকার হচ্ছে। ধীরে ধীরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। তাদের একটাই প্রশ্ন, সব তথ্য ঠিক থাকা সত্ত্বেও কেন তাদের শুনানির জন্য ডাকা হবে? এতো নির্বাচন কমিশনারের স্বেচ্ছাচার...

বাংলা কাব্য জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করতে চলেছে দ্বিভাষিক 'ভাইরাস'

Image
জ্যোতি প্রকাশ মুখার্জ্জী        বই লেখা কোনো সহজ কাজ নয়। সেটা এপিস্টোলারি অর্থাৎ পত্র-সংক্রান্ত হলে বিষয়টি আরও কঠিন হয়ে ওঠে। লেখার সময় শব্দ নির্বাচনের বিষয়ে যেমন সতর্ক থাকতে হয় তেমনি পত্রে ব্যবহৃত চরিত্রগুলির গঠন সম্পর্কে গভীর ধারণা, ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক জ্ঞানের প্রয়োজন হয়। নাহলে কাব্যপ্রেমী পাঠক রসাস্বাদন করতে সমস্যায় পড়তে পারেন। সেই কারণে 'লাভ-লেটার্স বিটুইন আ নোবেলম্যান অ্যান্ড হিজ সিস্টার' পাঠক সমাজে জনপ্রিয়তা লাভ করলেও বাংলা ভাষায় পত্রোপন্যাস খুব একটা বেশি লেখা হয়নি। তবে যেটুকু লেখা হয়েছে তার অধিকাংশ জনপ্রিয় হয়েছে।           বন্ধ খামের মধ্যে অন্যের লেখা চিঠি বা প্রেমপত্র পড়ার কৌতূহল প্রতিটি মানুষের আছে। চিঠিটা কোনো মহিলার লেখা হলে সেই কৌতূহল আরও বেড়ে যায়। স্বাভাবিক ভদ্রতাবোধে কেউ কেউ হয়তো সেটা প্রকাশ করেননা। মানুষের এই সহজাত কৌতূহল পত্রোপন্যাসগুলিকে জনপ্রিয় করে তোলে। এখানে 'উত্তম' পুরুষে ঘটনা প্রকাশিত হয় বলে কাহিনীর নায়ক-নায়িকার একান্ত সংলাপ পাঠকের মনে দাগ কাটে এবং স্রষ্টার ভাবনার সঙ্গে একাত্ম হয়ে ওঠেন। পাঠক স্বয়ং হয়ে...

মহালয়া - পিতৃপক্ষের অবসান ও দেবীপক্ষের সূচনার দিন

Image
  জ্যোতি প্রকাশ মুখার্জ্জী -:            রাত শেষ হতে না হতেই মহালয়ার ভোরে রেডিওতে শোনা যাবে 'মহিষাসুরমর্দিনী' কাহিনী, অন্যদিকে গঙ্গা নদীতে স্নান করার জন্য শুরু হবে ভিড়। যেখানে কাছাকাছি গঙ্গা নাই সেখানকার জনগণ নদী বা জলাশয়ে গিয়ে ভিড় করবে। এই স্নান অন্যান্য দিনের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। মহালয়ার পূণ্য দিনে তর্পণ করার মাধ্যমে পিতৃপুরুষদের আত্মাকে স্মরণ করা হয় ও তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এইদিন দেবী দুর্গা মহিষাসুরকে বধ করার জন্য মর্ত্যে আগমন করেন, পিতৃপক্ষের অবসান ঘটে ও দেবীপক্ষের শুরু হয়, চণ্ডীপাঠ' করে দেবী দুর্গাকে বরণ করে দুর্গাপুজোর সূচনা করা হয়। দুর্গাপুজো শুরু হওয়ার এক সপ্তাহ আগে মহালয়া পালিত হয়।        'মহালয়া' শব্দটি সংস্কৃত 'মহা' ও 'আলয়' থেকে এসেছে - যার অর্থ 'মহান আবাস'। মূলত  'মহালয়' বলতে প্রয়াত আত্মাদের সমাগমকে  বোঝায়। তবে 'মহালয়া' নিছক একটি তিথি নয়, এটি অন্ধকার থেকে আলোর দিকে যাত্রা ও অশুভ শক্তির বিনাশের প্রতীক।           মার্কণ্ডেয় পুরাণের 'দেবীমাহাত্ম্য' অংশ...

স্বপ্নপূরণের লক্ষ্যে দৃঢ় পদক্ষেপে এগিয়ে চলেছে 'রাজকুমারী' জ্যোতি

Image
জ্যোতি প্রকাশ মুখার্জ্জী-:        বাস্তবের রুঢ় মাটিতে দাঁড়িয়ে জ্যোতির জীবনে বেঁচে থাকা লড়াইটা শুরু হয়েছিল অনেক ছোট বয়সে যখন একজন বাচ্চা তার বাবা-মায়ের হাত ধরে অথবা কোলে চেপে ঘুরে বেড়াতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। মাত্র বছর চারেক বয়সে বিজ্ঞাপনের হাত ধরে পথ চলা শুরু করে ধীরে ধীরে অভিনয় জগতে জ্যোতি ছড়িয়ে চলেছে নবম শ্রেণির ছাত্রী সেই ছোট্ট জ্যোতি নস্কর।          ইতিমধ্যে একাধিক 'হিট' সিরিয়ালে নিজের অভিনয় দক্ষতার পরিচয় দিয়ে জ্যোতি আজ 'কনে দেখা আলো' সিরিয়ালে নায়িকার 'বেস্ট ফ্রেণ্ড' এর ভূমিকায় অবতীর্ণ। চরিত্রের নাম 'মিতা'। নায়িকার ভূমিকায় আছেন প্রয়াত অভিনেতা অভিষেক চ্যাটার্জ্জীর কন্যা সাইনা চ্যাটার্জ্জী, অভিনয় জগতের পরিচিত মুখ। বয়স অল্প হলেও সাইনাও একজন দক্ষ অভিনেত্রী।        জানা যাচ্ছে, গ্রামের পটভূমিকায় কাহিনী শুরু হয়েছে। ধীরে ধীরে তাদের বড় হওয়ার চিত্র ধরা পড়বে। ইতিমধ্যে একটি জনপ্রিয় চ্যানেলে সিরিয়ালটির প্রদর্শন শুরু হয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই বেশি কিছু বলা যাবেনা। এখন দেখার সাইনা-জ্যোতি জুটি দর্শকদের মনে...

রাজনীতিবিদদের ভাষা সন্ত্রাস বন্ধ করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে কি?

Image
জ্যোতি প্রকাশ মুখার্জ্জী-:          মানুষের তার মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য  ভাষার ব্যবহার করতে শুরু করে। প্রতিটি ভাষার মধ্যে একাধিক শব্দ আছে যেগুলি অশ্লীল হিসাবে গণ্য করা হয় এবং সভ্যসমাজে সেগুলি আর প্রকাশ্যে ব্যবহার করা হয়না। অবশ্য বন্ধু মহলে এইসব শব্দের ব্যবহারের চল আছে।          রাজনীতির জগতে প্রতিটি শাসকদলে এমন একদল 'সম্পদ' আছেন যারা অবলীলায় সেইসব অশ্লীল শব্দ প্রকাশ্যে ব্যবহার করেন। দেশের সর্বত্র এরা বিরাজমান। তাদের আচরণ দেখে মনে হবে সংবিধান তাদের এই অধিকার দিয়েছে। বিরোধীদের পাশাপাশি প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাদের আক্রমণের লক্ষ্য সেই পুলিশ। যেকোনো ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা বিরোধীদলের অনুকূলে নাহলেই 'চটিচাটা', 'দলদাস', 'মেরুদণ্ডহীন' ইত্যাদি শব্দ বন্ধনী পুলিশের বিশেষণ হয়ে ওঠে। আরজি করের ঘটনার সময় যখন বলা হয়  'পুলিশ তুমি চিন্তা করো, তোমার মেয়ে হচ্ছে বড়' - অশ্লীল ইঙ্গিত বহন করে। এটা ভক্তির মোড়কে সাধুভাষায় ব্যবহার করা হয়েছে বলে হয়তো মেরুদণ্ডযুক্ত(!) নেটিজেনদের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেনি।         স...

অথ জামাইষষ্ঠী কথা

Image
জ্যোতি প্রকাশ মুখার্জ্জী :-        হিন্দু বাঙালিদের ঘরে সাজো সাজো রব।ইতিমধ্যে অনেক জামাই পৌঁছে গেছেন, কেউ কেউ বা শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। দেবেনই বা কেন! মাঝে মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি, সময়মতো পৌঁছাতে হবে তো!  তারপরই হিন্দু বাঙালির বাড়িতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে জামাইষষ্ঠী।         মূলত জামাইয়ের মঙ্গল ও সমৃদ্ধি কামনা করে শাশুড়ি মায়েরা বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই ব্রত পালন করে থাকেন। শাশুড়ি মায়েদের পাশাপাশি জামাইরা সারা বছর ধরে দিনটির জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। নতুন জামাইদের উৎসাহ বেশি হলেও প্রবীণ জামাইরা এক্ষেত্রে খুব একটা পেছিয়ে থাকেননা। শাশুড়ি মায়েদের কাছে জামাই ছোটোই থাকেন!         প্রসঙ্গত একদিন যেটি 'অরণ্যষষ্ঠী' নামে পরিচিত ছিল কালের বিবর্তনে সেটাই হয়ে উঠেছে  'জামাইষষ্ঠী'।         প্রতি বছর জ্যৈষ্ঠ মাসে শুক্ল পক্ষের ষষ্ঠী তিথিতে কন্যার সুখের জন্য জামাইয়ের মঙ্গল কামনায় জামাইষষ্ঠী ব্রত পালন করেন মেয়ের মা। তিনবার 'ষাট' শব্দ উচ্চারণ করে জামাইয়ের হাতে  হলুদ মাখানো ষষ্ঠীর ...

স্মৃতির অন্তরালে বাঙালির ১৯ শে মে- বাংলা ভাষা দিবস

Image
জ্যোতি প্রকাশ মুখার্জ্জী-:     একদিন মাতৃভাষা বাংলার প্রতি কবির আকুল হৃদয়ের দরদি কলম থেকে বের হয়েছিল "মোদের গরব, মোদের আশা/ আ মরি বাংলা ভাষা/ তোমার কোলে, তোমার বোলে/ কতই শান্তি ভালবাসা!" অথচ আজ সেই বাংলার বুকে বাস করে খাঁটি বাঙালি হয়েও একদল বাঙালি অভিভাবক নির্লজ্জের মত গর্ব করে বলেন - আমার ছেলের বাংলাটা ঠিক আসেনা! বলার সময়  তার মাথায় থাকেনা নিজের মাতৃভাষায় কথা বলার, কাজ করার অধিকারের দাবিতে বাঙালি একদিন রাস্তায় নামে। বিশ্বের একমাত্র জাতি বাঙালি যে নিজের ভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রাণ দিতে দ্বিধাবোধ করেনি। বাঙালিদের আন্দোলনের চাপে ইউনেস্কো ২১ শে ফেব্রুয়ারি দিনটিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়েছে। যদিও এটা ছিল উর্দুর আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই। কিন্তু আমরা ভুলে গেছি ১৯৬১ সালের ১৯ শে মে দিনটিকে - আর এক ভাষা দিবস। এই দিবসের পেছনে লুকিয়ে আছে আরও এক করুণ কাহিনী।       আসামের বরাক উপত্যকার বাঙালিরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও আসামের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বিমলা প্রসাদ চলিহা বিধানসভার অধিবেশনে 'অসমীয়া' ভাষাকে আসামের একমাত্র সরকারি ভাষা হ...

মে দিবস- পুঁজিবাদের হাত ধরে কি ফিরে আসছে অতীতের কালো দিন

Image
জ্যোতি প্রকাশ মুখার্জ্জী-:          একটা সময় কলকারখানার মালিকদের নীতি ছিল - কাজ বেশি, বেতন কম। প্রতিদিন শ্রমিকদের একটানা ১০-১২ ঘণ্টা ধরে অমানুষিক পরিশ্রম করতে ও সপ্তাহে ছ'দিন কাজ করতে বাধ্য করা হতো। বিনিময়ে বেতন জুটত সামান্য। এদিকে কাজের কোনো স্থায়িত্ব ছিলনা, ইচ্ছেমত ছাঁটাই করা হতো। অত্যাচার সহ্য সীমার বাইরে চলে গেলে ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা ১৮৮৬ সালের ১লা মে আমেরিকার শিকাগো শহরের হে মার্কেটে ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে আন্দোলন শুরু করলে আন্দোলনরত শ্রমিকদের উপর পুলিশ গুলি চালায়। ফলে একাধিক শ্রমিক নিহত হয়।          এই ঘটনায় বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। শ্রমিক সংগঠনগুলি ১ লা মে দিনটিতে কাজ না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং সরকারি ভাবে ছুটির দিন হিসেবে পালনের দাবি তোলে। অনেক ঘাত-প্রতিঘাতের পর শ্রমিকদের দৈনিক আট ঘণ্টা কাজ করার দাবি সরকারিভাবে মেনে নেওয়া হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ১ লা মে দিনটি আন্তর্জাতিক 'শ্রমিক দিবস' বা 'মে দিবস' পালিত হতে থাকে। ভারতে প্রথম ১৯২৩ সালে 'মে দিবস' পালিত হয়।          বিগত কয়েক...

শুরু হতে চলেছে মাধ্যমিক পরীক্ষা - ২০২৫

Image
জ্যোতি প্রকাশ মুখার্জ্জী:-        আমাদের নিউজ পোর্টালের পক্ষ থেকে সমস্ত  মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের প্রতি রইলো শুভেচ্ছা ও শুভকামনা। তোমরা শান্ত হয়ে পরীক্ষা দাও। অভিভাবকদের কাছে অনুরোধ আপনারা নিজ নিজ সন্তানের উপর ভরসা রাখুন। অতিরিক্ত দাবি করে ওদের উপর অযথা মানসিক চাপ সৃষ্টি করবেন না। ওদের উৎসাহ দিন। ওরা ঠিক পারবে। বহিরাগতদের কাছে অনুরোধ করব পরীক্ষাকেন্দ্রের বাইরে অযথা বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করবেন না। এতে পরীক্ষার্থীদের মনঃসংযোগে বিঘ্ন ঘটে। ক্ষতিটা ওদেরই হয়।        অপেক্ষার আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি। ইতিমধ্যে কাউণ্ট ডাউন শুরু হয়ে গেছে। তারপরই শুরু হতে চলেছে মাধ্যমিক-২০২৫ পরীক্ষা। প্রায় ১০ লক্ষ ছাত্রছাত্রী এবার পরীক্ষায় বসতে চলেছে। সংখ্যাটা গতবছরের থেকে প্রায় ষাট সহস্রাধিক। গত কয়েক বছরের ট্রেণ্ড অনুসরণ করে এবারও ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের সংখ্যা বেশি।         পরীক্ষা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার জন্য প্রশাসন থেকে শুরু করে শিক্ষাদপ্তরের আধিকারিকদের মধ্যে ব্যস্ততা তুঙ্গে। ইতিমধ্যে প্রশাসনিক স্তরে     সমস্ত রকম প্রস্...

আবার সংবাদের শিরোনাম হতে চলেছে আরজি কর

Image
জ্যোতি প্রকাশ মুখার্জ্জী          বিরল বা বিরলতম না হলেও গত আগষ্ট মাসে আরজি করের মত এলিট হাসপাতালে ঘটে যাওয়া তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুন ছিল নৃশংস এটা নিয়ে কোনো দ্বিমত নাই। তবে একটা জায়গায় ঘটনাটি ছিল বিরল বা বিরলতম। এর আগেও হাথরস, কামদুনি, বাণতলা ইত্যাদি জায়গা সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শিউরে ওঠার মত অসংখ্য ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল। বাম আমলে একাধিক গণধর্ষণের সাক্ষী এইরাজ্য। উত্তরপ্রদেশের একাধিক নৃশংস ধর্ষণের ঘটনা সাধারণ মানুষকে বাকরুদ্ধ করে দেয়। মণিপুরের ঘটনা ছিল চরমতম লজ্জার। কিন্তু এই প্রথম আরজি করের নৃশংস ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে এই রাজ্য সহ অন্যান্য রাজ্যের নাগরিক সমাজ উত্তাল হয়ে ওঠে। তারা প্রতিবাদ আন্দোলনে নামে। ঘটনার প্রতিবাদে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে মহিলারা প্রতিবাদ আন্দোলনে নামে। দেশের বাইরেও প্রতিবাদ দেখা যায়। সত্যিই এটা এক বিরলতম ঘটনা। সবার একটাই দাবি অপরাধী বা অপরাধীদের কঠোরতম শাস্তি দিতে হবে। এটা নিয়ে কোনো সংশয় থাকতে পারেনা।        তদন্তে নেমে কলকাতা পুলিশ সঞ্জয় রাই নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতের নির্দেশে তদন্তের দায়ি...

বনভোজনে মেতে উঠতে চলেছে সমগ্র বাঙালি, হারিয়ে যাচ্ছে আবেগ

Image
রিমা ঘোষ, ফাইনাল এক্সপোজার-:         মরশুমী সব্জীর মত শীতের আমেজ গায়ে মেখে বন্ধু-বান্ধব বা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বনভোজন করার আনন্দটাই আলাদা। অন্য সময় সেই আনন্দটা পাওয়া যায়না। কোনো এক ছুটির দিন দেখে বাড়ির বাইরে একটা নিরিবিলি জায়গা দেখে বাড়ির সবাইকে বা বন্ধুদেরকে সঙ্গে নিয়ে নিজেরাই রান্নাবান্না করে সারাদিন আনন্দ, হইহুল্লোড় করে খাওয়া-দাওয়াকেই বনভোজন বলা হয়। আগেকার দিনে গ্রামের মানুষজনেরা গরুর গাড়ি বা সাইকেলে চেপে গ্রামের বাইরে কাছাকাছি মাঠে বা কোনো জঙ্গলের ধারে দল পাকিয়ে বনভোজন করত। এখন দিন বদলের সাথে সাথে বনভোজন করার পদ্ধতিও পাল্টে গেছে। বর্তমান সময়ে বনভোজন আর সেভাবে দেখা যায় না। 'রথ দেখা ও কলা বেচা'-র মত বনভোজনের জন্য অনেকে বেছে নিচ্ছেন বিভিন্ন পিকনিক স্পট, ঘন জঙ্গলে ঘেরা পাহাড়তলি বা সমুদ্র সৈকত। এতে হয়তো ঘোরাঘুরি হয় ঠিকই, বনভোজনের আনন্দ খুঁজে পাওয়া যায়না।        আরও অনেক পরিবর্তনের মত বর্তমান প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা বনভোজনের পরিবর্তে 'ফিস্ট' শব্দটি বেশি ব্যবহার করে। বনভোজন কেবল শীতকালে মানালেও ফিস্ট বছরের যেকোনো সময় করা যায়। ঘরের...

আজও অবহেলিত পশ্চিমবঙ্গ

Image
জ্যোতি প্রকাশ মুখার্জ্জী:-        যতই এইরাজ্যের একদল বাঙালি নিজদের নির্লজ্জ রাজনৈতিক স্বার্থ পূরণের জন্য রাজ্যকে অপরের কাছে ছোট করার মত নিন্দনীয় খেলায় মেতে উঠুক পশ্চিমবঙ্গ কিন্তু নিজের যোগ্যতায় বারবার শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে চলেছে। জন্মলগ্ন থেকেই সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গকে হেয় করার চেষ্টা চললেও আজও চক্রান্তকারীরা সফল হতে পারেনি।        সর্বশক্তি নিয়োগ করেও বিজেপি ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে এইরাজ্যে ক্ষমতা দখল করতে পারেনি। স্বপ্ন ছিল দুই শতাধিক আসন দখল করা, তিন অঙ্কও ছুঁতে পারেনি। অতীতেও অবশ্য কোনো বিরোধী দলের আসন সংখ্যা তিন অঙ্ক ছিলনা।        যাইহোক, হারের জ্বালা ভুলতে না পেরে দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় রীতিনীতি জলাঞ্জলি দিয়ে এরপর থেকেই কেন্দ্র সরকারের পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতি শুরু হয় বিমাতৃসুলভ আচরণ। কার্যত শুরু হয় অলিখিত অর্থনৈতিক অবরোধ। প্রথম আঘাত নেমে আসে একশ দিনের কাজ প্রকল্পে। গ্রামীণ মানুষের রোজগার সুনিশ্চিত করার জন্য সদ্যপ্রয়াত প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের আমলে এই প্রকল্প শুরু হয়। দুর্নীতির অভিযোগে রাজ্যের প্...

নিত্যযাত্রীদের পছন্দের মাঝারি দূরত্বের এক্সপ্রেস ট্রেনগুলিতে অতিরিক্ত রিজার্ভড কোচ

Image
Press Release : 2024/11/169 Kolkata, November 26, 2024 : নিত্যযাত্রীরা বিশেষত  অর্থাৎ যারা অফিস - আদালত - স্কুল - কলেজ বা ব্যবসার কাজে রোজই একটু দূরে বিশেষত কলকাতা বা সংলগ্ন অঞ্চলে যাতায়াত করে থাকেন  , তাদের দীর্ঘদিনের চাহিদা পূরণে ইন্টারসিটি ধরণের মাঝারি দূরত্বের এক্সপ্রেস ট্রেনগুলিতে অতিরিক্ত  রিজার্ভড (সংরক্ষিত ) কোচ জুড়তে চলেছে পূর্বরেল।  এই রিজার্ভড কোচ সংযুক্তির ফলে তাদের যাতায়াত আরও সুগম হয়ে উঠবে যা আর্থসামাজিক উন্নয়নেরও  সহায়ক।   পাঁচটি ট্রেন যেমন ১২৩৩৭/১২৩৩৮ হাওড়া - বোলপুর  - হাওড়া  শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেস , ১২৩৩৯/১২৩৪০ হাওড়া - ধানবাদ - হাওড়া কোলফিল্ড এক্সপ্রেস, ১২৩৪১/১২৩৪২ হাওড়া - আসানসোল - হাওড়া অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস , ১৩০১১/১৩০১২ হাওড়া - মালদা - হাওড়া ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস এবং ০৩০৪৭/০৩০৪৮ হাওড়া - রামপুরহাট - হাওড়া বিশ্বভারতী ফাস্ট প্যাসেঞ্জার ট্রেনগুলিতে লাগছে একটি করে অতিরিক্ত দ্বিতীয় শ্রেণীর চেয়ার কার।  এই অতিরিক্ত কোচের সংযোজন ২৭ থেকে ৩০ শে নভেম্বরের মধ্যেই উভয় প্রান্ত থেকে কার্যকর হবে।  এছাড়াও, ১৩০৪৫/১৩০৪৬ হা...

ভয় হয়

Image
                    নিজস্ব প্রতিবেদন:- স্বপ্নদীপ কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি রোধ করার লক্ষ্যে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসের সামনে সিসি ক্যমেরা বসানোর যখন প্রস্তাব ওঠে তখন তার বিরোধিতা করে অতিবাম ভাবধারায় বিশ্বাসী আবাসিক ছাত্রদের একাংশ। কখনোই  ওরা চায়না ছাত্রাবাসে নিষিদ্ধ মাদক দ্রব্য ব্যবহার সহ যেসব অভিযোগ ওদের বিরুদ্ধে উঠেছে সেগুলো  সামনে আসুক। ওদের এই বাধার বিরুদ্ধে যারাই মুখ খুলেছে তাদের বিরুদ্ধে ধেয়ে  এসেছে টিপ্পনি - আগে এখানে ভর্তি হয়ে দেখাক তারপর সমালোচনা করবে। ভাবখানা এমন একমাত্র ওরাই বুদ্ধিমান, বাকিরা সব বোকা!      ঘটনার পুনরাবৃত্তি দ্যাখা গ্যালো আরজি করের নৃশংস ঘটনাকে সামনে রেখে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে। তবে এক্ষেত্রে ডাক্তারদের পরিবর্তে তাদের হঠাৎ গজিয়ে ওঠা সমর্থকরা সমাজ মাধ্যমে বেশি সরব হয়। আরজি করের নৃশংস ঘটনার সঙ্গে যুক্ত অপরাধীর চরমতম শাস্তির দাবিতে এইরাজ্যের সীমা ছাড়িয়ে বিশ্বব্যাপী গড়ে ওঠা আন্দোলনে প্রত্যেক সুস্থ ও  মস্তিষ্কের মানুষ সমর্থন জানিয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ...

পুলিশ হলেও ওরাও মানুষ

Image
জ্যোতি প্রকাশ মুখার্জ্জী, ফাইনাল এক্সপোজার -:       শেষ হলো বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গোৎসব। লক্ষ লক্ষ দর্শনার্থীদের ভিড়ে প্যাণ্ডেলগুলো উপচে পড়ছে। একদল সমস্ত নতুন পোশাক পরে সেজেগুজে পরিবারের সদস্যদের হাত ধরে  এক প্যাণ্ডেল থেকে অন্য প্যাণ্ডেলে ঘুরে ঘুরে ঠাকুর দেখতে ব্যস্ত। কেউ কেউ আবার রেস্টুরেন্টে বসে সুস্বাদু খাবার খেতে খেতে নিজেদের মধ্যে ঠাকুর দ্যাখার আলোচনায় মশগুল।       কিন্তু ওদের জীবনে বসন্তের আনন্দ উপভোগ করার সুযোগ আসেনা। শুধুই শীতের শুষ্কতা, রুক্ষতা বিরাজ করে ওদের মনে। সাধারণ মানুষ যাতে নিশ্চিন্তে ঠাকুর দ্যাখার আনন্দ উপভোগ করতে পারে তারজন্য ওরা তখন শান্তিরক্ষার কাজে ব্যস্ত থাকে। 'পান থেকে চুন খসলেই' আক্রমণের ঝড় নেমে আসবে ওদের দিকে। প্রশ্নের পর প্রশ্নে ওদের জর্জরিত হতে হবে। ঠাকুর দেখতে গিয়ে প্রেমিকের হাত ধরে নাবালিকা প্রেমিকা ক্যানো পালিয়ে যাবে, মদ খেয়ে একদল যুবক ক্যানো মাতলামি করবে ইত্যাদি সব প্রশ্নের উত্তর ওদের রাখতে হবে। কারণ ওরা পুলিশ।       ওদিকে ওদের কারও বাড়িতে স্বামীর হাত ধরে ঠাকুর দেখতে যাওয়ার অপেক্ষায় বসে...

আরজি কর কাণ্ডে সিবিআই চার্জশিট - এবার কি বন্ধ হবে মনগড়া কাহিনী?

Image
সুস্থ নাগরিক সমাজ অপরাধীর শাস্তি দাবি করছে, গল্প নয় জ্যোতি প্রকাশ মুখার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:        সিবিআই তাদের চার্জশিটে প্রমাণ সহ যে তথ্যই আদালতে পেশ করুক তাতে কিন্তু বাম ও অতিবাম মতাদর্শে বিশ্বাসী একদল মানুষ কিছুতেই তাদের অন্ধ বিশ্বাস পাল্টাবে না। তাদের বিশ্বাস ঘটনার সঙ্গে একাধিক ব্যক্তি যুক্ত আছে এবং মূল দায়ী মমতা ব্যানার্জ্জী। এই বিশ্বাসের স্বপক্ষে তাদের হাতে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য থাকলে একজন সৎ নাগরিক হিসাবে সেগুলি সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিলেই ঝামেলা চুকে যায়। তাদের তথ্যহীন দাবি যে মূল ঘটনাকে পেছনে ফেলে দিচ্ছে সেটা সম্ভবত মাথায় নাই। 'জাস্টিস ফর আরজি কর'-এর পরিবর্তে জুনিয়র ডাক্তাররা নিত্যনতুন দাবি তুলে সরকারকে ব্ল্যাকমেল করে চলেছে। এটা যে 'থ্রেট কালচার' এর অন্যরূপ সেটা তারা বুঝতে চাইছেনা।      আসলে পোস্টমর্টেম করার সময় তাদের উপস্থিতি ও দেওয়াল ভাঙা সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের ভূমিকা সামনে আসতেই জুনিয়র ডাক্তারদের একাংশ চাপে পড়ে গ্যাছে। এবার অন্য কোনো তথ্য সামনে এলে তাদের সমূহ বিপদ। সরকারকে ব্ল্যাকমেল করা ছাড়া এই মুহূর্তে তাদের অন্য কোনো উপায় নাই...