Posts

নাগরিক পরিষেবা ও স্বচ্ছতার দাবিতে পুর কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে বিধায়ক

Image
রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:      ​আসানসোল পুরনিগমের পরিষেবা ও নাগরিক সমস্যার সমাধানের দাবিতে বুধবার পুরনিগমে এসে পুর সচিব তথা দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিশনার কৃষ্ণেন্দু মণ্ডলের সঙ্গে বৈঠক করলেন আসানসোল উত্তর বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়। বর্তমানে স্থায়ী কমিশনারের অভাবে পুর সচিবই অতিরিক্ত দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।       ​বৈঠক শেষে বিধায়ক জানান, গত কয়েকদিন ধরে শহরের ব্যাহত পুর পরিষেবা নিয়ে তার উদ্বেগ ছিল। সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে পুরনিগমকে দ্রুত সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। বিধায়কের কথায়, “পুর পরিষেবা ব্যাহত হওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। সরকারকে নাগরিক পরিষেবা নিশ্চিত করতেই হবে।”       ​বৈঠকে পুরনিগমের কাজে স্বচ্ছতা আনা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো-টলারেন্স’ নীতি গ্রহণের বিষয়েও কড়া বার্তা দিয়েছেন বিধায়ক। এছাড়া শহরের হটন রোড এলাকায় যানজট ও অবৈধ দখলের সমস্যা নিয়েও আলোচনা হয়। বিধায়ক আশ্বস্ত করেছেন যে, সমস্ত বিষয় সরকারের নজরে রয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে ধাপে ধাপে সব সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হবে।

স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপ প্রদান, মেধাবী পড়ুয়াদের পাশে প্রশাসন​

Image
​ অঙ্কিতা চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:       বুধবার আসানসোলের রামকৃষ্ণ মিশন স্কুলের অডিটোরিয়ামে ‘স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপ’ প্রদান উপলক্ষ্যে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ২৫টি স্কুলের ১০০ জন মেধাবী ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া ছাত্রছাত্রীকে এই স্কলারশিপ প্রদান করা হয়। ​অনুষ্ঠানে রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক এস. পোন্নাবলম, রামকৃষ্ণ মঠের অধ্যক্ষ স্বামী ভুদেবানন্দজী মহারাজ, আসানসোল রামকৃষ্ণ মিশনের সেক্রেটারি স্বামী সৌমত্বানন্দজী মহারাজ, বার্নপুর ইস্কো কারখানার ডিআইসি সুরজিৎ মিশ্র এবং বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়।     ​মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল পড়ুয়াদের দেশের ভবিষ্যৎ হিসেবে অভিহিত করে তাদের মেধা বিকাশের আহ্বান জানান। মিশনের সেক্রেটারি মহারাজ স্বামী সৌমত্বানন্দজী জানান, দুঃস্থ মেধাবী পড়ুয়াদের পড়াশোনার সহায়তায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানের শেষে মন্ত্রী রাজ্যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সরকারের বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারের বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার বার্তা দেন। এছাড়া তিনি সকল সংখ্যালঘু মান...

পশ্চিমবঙ্গে সুষম সার ব্যবহারের ওপর অনন্য নৌকা-ভিত্তিক সচেতনতা অভিযানের সূচনা করল আইসিএআর-সিআইএফআরআই (ICAR-CIFRI)

Image
প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো ভারত সরকার ************** কলকাতা, ২৭ মে, ২০২৬ সুস্থায়ী মৎস্যচাষ এবং পরিবেশ সংরক্ষণকে উৎসাহ দিতে এক অভিনব সচেতনতামূলক উদ্যোগ নিল আইসিএআর–সেন্ট্রাল ইনল্যান্ড ফিশারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউট (আইসিএআর–সিআইএফআরআই)। “মেরা গাঁও মেরা গৌরব” কর্মসূচির অধীনে হুগলি জেলার বলাগড় ব্লকের মৎস্যচাষিদের জন্য সারের সুষম ব্যবহারের ওপর একটি অভিনব সচেতনতা অভিযান আয়োজন করে। মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের সঙ্গে তাদের কাজের পরিবেশেই সরাসরি যোগাযোগ গড়ে তুলতে একটি নৌকায় এই সচেতনতা অভিযান আয়োজন করা হয়। এর মূল বিষয় ছিল “সুস্থায়ী মৎস্যচাষের জন্য মাটির স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা এবং সারের সুষম ব্যবহারকে উৎসাহিত করা।” কর্মসূচিতে মাটির স্বাস্থ্য, পুষ্টি ব্যবস্থাপনা, জলের গুণমান এবং সুস্থায়ী অন্তর্দেশীয় মৎস্যচাষের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আইসিএআর–সিআইএফআরআই-এর অধিকর্তা ড. প্রদীপ দে কৃষিজমিতে নির্বিচারে ও অসমভাবে সার ব্যবহারের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সতর্ক করেন। তিনি বলেন, অতিরিক্ত রাসায়নিক সার প্রয়োগের ফলে, মাটির গুণমান নষ্ট হয় এবং অতিরিক্ত পুষ্টি উপাদ...

"আমাদের পাঠশালা", আউসগ্রামের যুবকদের মানবিক লড়াই

Image
​ সৌভিক সিকদার, নিউজ হিন্দুস্থান -:        একটি সুন্দর, আত্মনির্ভরশীল ও সচেতন সমাজ গড়ার লক্ষ্যে আউসগ্রামের দ্বারিয়াপুর গ্রামের সুব্রত, গোবিন্দ, টুবাই, শুভ, মুন্না, মিঠুন প্রমুখ একঝাঁক যুবক গড়ে তুলেছেন এক অনন্য উদ্যোগ—"আমাদের পাঠশালা"। কোনো সরকারি সাহায্য বা এনজিও-র পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়াই, সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিচালিত এই কর্মসূচি পিছিয়ে পড়া শ্রেণির শিশুদের প্রকৃত শিক্ষার আলোয় উদ্ভাসিত করার ব্রত নিয়েছে।         অন্যতম ​উদ্যোক্তা দেবাঙ্কুর চ্যাটার্জ্জীর  মতে, বর্তমানে অনেক শিশুই কাঁধে ব্যাগ নিয়ে স্কুলে যাচ্ছে ঠিকই, কিন্তু তাদের কাছে স্কুল মানে শুধু মিড-ডে মিলের উৎস। শিক্ষার প্রকৃত অর্থ থেকে তারা বঞ্চিত। এই পরিস্থিতি বদলাতেই "আমাদের পাঠশালা" প্রতিটি শিশুর নিয়মিত স্কুল উপস্থিতি, পড়াশোনার অগ্রগতি এবং সামগ্রিক মানসিক বিকাশের ওপর নিরবচ্ছিন্ন নজর রাখছে। পাশাপাশি, শিশুদের মধ্যে সাংস্কৃতিক চেতনা জাগিয়ে তোলার কাজটিও সমান গুরুত্বের সাথে করা হচ্ছে। আর্থিক অভাবের কারণে যারা গৃহশিক্ষকের সহায়তা থেকে বঞ্চিত, তাদের জন্য এই কর্মসূচির অধীনে বিনামূল্...

আজকের দিনপঞ্জি

Image
প্রাত্যহিক প্রভাতী শুভেচ্ছা আজ: ১২ জৈষ্ঠ্য ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, বুধবার, ইংরেজী: ২৭ মে ২০২৬। সূর্য উদয়: সকাল ০৪:৫৬:৪৭ এবং সূর্য অস্ত: বিকাল ০৬:১৩:৪১। চন্দ্র উদয়: দুপুর ০২:৫৩:৩০ এবং চন্দ্র অস্ত: শেষ রাত্রি ০২:২৭:৪৭। শুক্ল পক্ষ  তিথি: একাদশী নক্ষত্র: চিত্রা কালরাত্রি: ০২:১৪:২১ থেকে  ০৩:৩৪:৩৭ পর্যন্ত। জন্মের সময়ে কন্যা রাশি, বৈশ্য বর্ন, দেব গন, অষ্টোত্তরী বুধের দশা এবং বিংশোত্তরী চন্দ্রর দশা। শুভ দিন: গৃহপ্রবেশ, গৃহারম্ভ, নব বস্ত্র পরিধান, হলপ্রবাহ ও বীজ বপন, ধান্যচ্ছেদন, নবান্ন, ক্রয় শুভ, বিক্রি অশুভ, দোকান আরম্ভ। একাদশীর উপবাস (পদ্মিনী)। পন্ডিত জহরলাল নেহেরু তিরোধান দিবস  (২৭ মে,১৯৬৪ খৃষ্টাব্দে)। দিনটি সফল ও মঙ্গলময় হয়ে উঠুক।

আসানসোলের প্রবেশদ্বার থেকে সরানো হলো ‘বিশ্ববাংলা’ লোগো, বিতর্ক

Image
রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:  ​      রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের আবহেই এবার আসানসোলের কালিপাহাড়ি মোড়ে শহরের প্রবেশদ্বারের স্বাগত গেট থেকে সরানো হলো ‘বিশ্ববাংলা’ লোগো। মঙ্গলবার বিকেলে প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে এবং কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে লোগোটি অপসারণ করা হয়।        ​জানা গেছে, এদিন বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ বিশালাকার ক্রেনের সাহায্যে গেটের ওপর থেকে লোগোটি খুলে নামানো হয়। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের বিশাল পুলিশ বাহিনী। উপস্থিত ছিলেন উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরাও।       ​এই অপসারণের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে স্থানীয় বিজেপি যুব নেতা রাহুল সিং বলেন, লোগোটি বেশ কিছুদিন ধরেই নড়বড়ে অবস্থায় ছিল, যা পথচারীদের জন্য বিপজ্জনক হতে পারত। এ বিষয়ে আসানসোল পুরনিগম ও রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালকে জানানো হয়েছিল। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই প্রশাসন লোগোটি সরিয়ে নিয়েছে। ​উল্লেখ্য, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিদায়ী তৃণমূল সরকারের ব্যবহৃত ‘বিশ্ববাং...

ঝড়ের তাণ্ডবে বিধ্বস্ত বীরভূমের তাঁতনি গ্রাম, ক্ষতিগ্রস্ত বহু পরিবার

Image
সৌভিক সিকদার, নিউজ হিন্দুস্থান -:         ​সোমবারের প্রবল কালবৈশাখী ঝড়ে বীরভূমের পারুই থানার অন্তর্গত তাঁতনি গ্রাম ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝড়ের দাপটে গ্রামের বহু কাঁচা বাড়ি কার্যত ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। অধিকাংশ বাড়ির চাল উড়ে যাওয়ায় খোলা আকাশের নিচে অসহায় দিন কাটছে গ্রামবাসীর।         ​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলের পর হঠাৎই ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বেশ কিছু বাড়ির দেওয়াল, দরজা ও জানালা। ঝড়ের দাপটে টিনের চাল উড়ে যাওয়ায় ঘরবন্দি পরিবারগুলোর নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, বিছানাপত্র ও খাদ্যসামগ্রী সম্পূর্ণ ভিজে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। সকাল হতেই ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র প্রকাশ্যে আসতেই উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা গ্রাস করেছে গোটা গ্রামকে।       ​ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলি দ্রুত প্রশাসনিক সহায়তা ও ত্রাণের দাবিতে সরব হয়েছে। প্রশাসনের কাছে গ্রামবাসীর কাতর আরজি, দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখে যেন জরুরি ভিত্তিতে পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় সাহায্যের ব্যবস্থা করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্থান...