Posts

আজকের দিনপঞ্জি

Image
প্রাত্যহিক প্রভাতী শুভেচ্ছা আজ: ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, বুধবার, ইংরেজী: ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬। সূর্য উদয়: সকাল ০৫:২৪:০৩ এবং সূর্য অস্ত: বিকাল ০৫:৪৬:৩৩। চন্দ্র উদয়: শেষ রাত্রি ০৪:১৮:১৫ এবং চন্দ্র অস্ত: বিকাল ০৫:১২:২৬। কৃষ্ণ পক্ষ  তিথি: ত্রয়োদশী ( জয়া) সকাল ঘ ১১:৪৭:২৫ দং ১৫/৫৮/১২.৫ পর্যন্ত। নক্ষত্র: অশ্লেষা  কালরাত্রি: ০২:২৮:৪৬ থেকে - ০৩:৫৬:২৭ পর্যন্ত। জন্মের সময়ে কর্কট রাশি, বিপ্র বর্ন, রাক্ষস গন, অষ্টোত্তরী চন্দ্রর দশা এবং বিংশোত্তরী বুধের দশা। শুভ দিন: নব বস্ত্র পরিধান, হলপ্রবাহ ও বীজ বপন, ক্রয় শুভ, বিক্রি অশুভ, দোকান আরম্ভ, ধান্যচ্ছেদন। শিশুসাহিত্যক সুকুমার রায়ের তিরোভাব দিবস। দিনটি সফল ও মঙ্গলময় হয়ে উঠুক।

অগ্নিশিখার হঠাৎ ছায়া, সাহসিকতার আলোয় আসানসোলে সুরক্ষিত জীবন

Image
রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:        ​মঙ্গলবার দুপুরে শিল্পাঞ্চল আসানসোলের আকাশে নামল আকস্মিক আতঙ্কের ঘন মেঘ। কুমারপুরের জিটি রোড সংলগ্ন 'জেনেক্স এক্সোটিকা' বহুতলের ১৩ তলা ভবনের প্রথম তলার ১-সি ফ্ল্যাটে প্রজ্জ্বলিত হয়ে উঠল লেলিহান শিখা। ফ্রিজের প্রাণঘাতী শর্ট সার্কিট থেকে জন্ম নেওয়া সেই আচমকা অগ্নিগ্রাস মুহূর্তেই গ্রাস করল গৃহস্থালির আসবাবপত্র, সৃষ্টি করল তীব্র ব্যাকুলতা ও কোলাহল।       ​কিন্তু ধ্বংসের সেই তাণ্ডবের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে মানবতা ও সহযোগিতার এক অনন্য উদাহরণ রচিত হলো। ফ্ল্যাটে উপস্থিত গৃহকর্তী ও তাঁর সন্তানকে উদ্ধার করা হলো চরম দ্রুততায়; ফলে কোনো প্রাণের প্রদীপ নিভে যায়নি। বহুতলের কর্মী ও বাসিন্দারা নিজস্ব অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়লেন প্রাথমিক লড়াইয়ে।         পরবর্তীতে আসানসোল দমকল বাহিনীর সময়োপযোগী তৎপরতায় মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যেই সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে সেই উন্মত্ত আগুন।        ​খবর পেয়ে অকুস্থলে ছুটে আসেন আসানসোল উত্তরের বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যা...

রেলের স্পন্দন রক্ষায় আন্দোলনের হুংকার: চিত্তরঞ্জনের আকাশে প্রতিরোধের ডাক

Image
সংবাদদাতা, নিউজ হিন্দুস্থান -:       ​শিল্পশহরের প্রাতঃকালীন শান্ত বাতাসে তখন আন্দোলনের উত্তাপ। ৮ই সেপ্টেম্বর, সকাল ১০টা বাজতেই চিত্তরঞ্জন জি এম অফিসের সীমানা লাল পতাকার ছায়ায় ও সুসংগঠিত স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে। 'চিত্তরঞ্জন বাঁচান, রেল বাঁচান, দেশ বাঁচান'- এই প্রত্যয়ী আওয়াজকে বুকে ধারণ করে সিএলডাবলু লেবার ইউনিয়নের আহ্বানে আছড়ে পড়ে সর্বস্তরের মেহনতি মানুষ ও বাসিন্দাদের ঢল।        ​লোকোমোটিভের ঐতিহ্যময় চাকা যেখানে ভারতের অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করে, আজ সেখানেই অনাহূত আউটসোর্সিং ও অফলোডিংয়ের কালো ছায়া। আধুনিকীকরণের নামে কারখানাকে রুগ্ণ করার যে কূটকৌশল, তার বিরুদ্ধে এটি স্পষ্ট প্রতিরোধ। ক্ষোভের অগ্নিতে ঘি ঢেলেছে দীর্ঘদিনের শূন্যপদ, ইনসেনটিভের বকেয়া এবং চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ। পুরোনো পেনশন স্কিমের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে আনা ও ৮ম পে কমিশনের দ্রুত প্রয়োগ আজ প্রতিটি শ্রমিকের অন্তরের আকুতি।       ​মঞ্চে যখন উপস্থিত সুদীপ দত্ত, আভাস রায় চৌধুরী কিংবা মীনাক্ষী মুখার্জ্জীর কণ্ঠ প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল, তখন স্পষ্ট বো...

লাল ঝান্ডার ছায়ায় সাঁকতোড়িয়া, ‘উচ্ছেদ নয়—অধিকার চাই’ সুরে উত্তাল ইসিএল

Image
রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:      মঙ্গলবার সাঁকতোড়িয়ার ইসিএল সদর দফতর যেন হয়ে উঠল শ্রমিকের ক্ষোভ ও অধিকারের মঞ্চ। কোলিয়ারি বেসরকারিকরণ বন্ধ, ১২তম বেতন চুক্তি কার্যকর, পুনর্বাসন ছাড়া ইসিএলের কোয়ার্টার থেকে উচ্ছেদ এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার প্রতিবাদে সিটুর উদ্যোগে আয়োজিত সভায় বিভিন্ন এরিয়ার কর্মচারীদের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে এলাকা। সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি জি. কে. শ্রীবাস্তব।       প্রধান বক্তা ভারতের কোলিয়ারি মজদুর সভার সহ-সম্পাদিকা মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের শ্রমিক বিরোধী নীতির তীব্র সমালোচনা করেন। তাঁর কথায়, ইসিএল সরকারি সম্পত্তি, সেই সম্পত্তি দেশের সাধারণ মানুষের। কোনওভাবেই তা কর্পোরেটের হাতে তুলে দেওয়া যাবে না।       সিটুর সাধারণ সম্পাদক মনোজ দত্ত কোয়ার্টারে বসবাসকারী মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে হুঁশিয়ারি দেন, ‘‘একজনও গরিব মানুষকে লাল ঝান্ডার বাড়ি থেকে উচ্ছেদ হতে দেওয়া হবে না।’’ বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিয়ে তিনি নভেম্বর মাসে রানিগঞ্জ থেকে কলকাতা পর্যন্ত পদযাত্রার ঘোষণা...

বিষবাষ্পে শ্বাসরুদ্ধ রাজ্য: নির্মল বায়ুর নিরিখে ধুঁকছে মহানগর, আলো দেখাচ্ছে শিল্পাঞ্চল

Image
রিমা ঘোষ, নিউজ হিন্দুস্থান -:        ​বাতাসের রঙ বদলাচ্ছে অগোচরে, আর সেই সঙ্গে ধোঁয়াটে ভবিষ্যতের দিকে হেঁটে চলেছে পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শহরগুলি। সম্প্রতি প্রকাশিত কেন্দ্রীয় সরকারের 'নির্মল বায়ু সমীক্ষা ২০২৬'-এর রিপোর্ট যেন এক তীব্র আশঙ্কার সতর্ক ঘণ্টা বাজিয়ে দিল। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার শৈথিল্য, অবাধ নির্মাণকাজের ধূলিকণা এবং যন্ত্রদানবের অবিরাম কালো ধোঁয়ায় বিষিয়ে উঠছে আমাদের নিঃশ্বাস।      ​১০ লক্ষের বেশি জনসংখ্যাবিশিষ্ট শহরের তালিকায় আসানসোলের মতো শিল্পশহর বহু ধাপ পিছিয়ে এসে পৌঁছেছে ২৩ নম্বরে। তবে সবচেয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থা তিলোত্তমা কলকাতা ও তার প্রতিবেশী হাওড়ার। শিল্পনগরী হাওড়া ৩১ নম্বরে আটকে থাকলেও, রাজধানী কলকাতা তালিকার প্রায় তলানিতে এসে ঠেকেছে ৩৮তম স্থানে। যে শহর একসময় সংস্কৃতি ও জীবনের স্পন্দনে মুখরিত থাকত, আজ তার আকাশ ঢেকে যাচ্ছে বিষাক্ত ধূলিকণায়।        ​তবে এই অন্ধকারের মধ্যেও কিছুটা আশার আলো জ্বালিয়েছে মাঝারি ও ছোট শহরগুলি। দুর্গাপুর ৩৭তম থেকে ৩২তম স্থানে উঠে এসে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে। অন্যদিকে, পরিকল্...

প্লাস্টিকের প্যাকেটে ‘কঠোর’ অভিযান, কারখানার দরজায় নরম তালা!

Image
রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:       প্লাস্টিকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা হয়েছে! তবে যুদ্ধক্ষেত্র আপাতত শহরের দোকান পর্যন্তই। মঙ্গলবার রাণীগঞ্জ শহরের বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য বিক্রির দোকানে হানা দিয়ে নিষিদ্ধ প্লাস্টিকের ব্যবহার খতিয়ে দেখল আসানসোল পৌরনিগমের স্যানিটারি ডিপার্টমেন্ট। নেতৃত্বে ছিলেন বিভাগের ইন্সপেক্টর।       কোন দোকানে কী প্লাস্টিক, খাবার প্যাকেট হচ্ছে কোন ‘মাইক্রনে’- সবই গেল মাপজোখের আওতায়। পৌরনিগমের নিয়ম স্পষ্ট, ১২৫ মাইক্রনের নিচে প্লাস্টিক নিষিদ্ধ। ১ সেপ্টেম্বর থেকে চলছে বিশেষ অভিযান। তার আগে দু’মাস ধরে চলেছে সচেতনতার প্রচার। নিয়ম ভাঙলেই জরিমানা। ভবিষ্যতে জরিমানার অঙ্ক আরও বাড়তে পারে, সঙ্গে আসতে পারে কঠোর শাস্তিও।         আসল প্রশ্নটা অন্য জায়গায়। দোকানদারের হাতে নিষিদ্ধ প্লাস্টিক দেখলেই যদি প্রশাসনের চোখে পড়ে, তবে যে কারখানায় সেই প্লাস্টিক তৈরি হচ্ছে, তার চিমনি কি প্রশাসনের চোখ এড়িয়ে যায়?     কর্পোরেশনের যুক্তি- ব্যবহার কমলেই চাহিদা কমবে, আর চাহিদা না থাকলে কারখানাও বন্ধ হবে। যুক্তি মন্দ নয়। কিন্...

ফোন ধরেননি, OTP-ও দেননি- তবু স্বপ্নের সঞ্চয়ে সাইবারের কালো ছায়া

Image
অঙ্কিতা চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:     সতর্ক ছিলেন। অপরিচিত ফোন ধরেননি, কোনও OTP দেননি, অচেনা লিঙ্কেও ক্লিক করেননি। তবু সাইবার প্রতারণার অন্ধকার হাত যেন নিঃশব্দে পৌঁছে গেল ব্যাংক অ্যাকাউন্টে। এক ঝটকায় উধাও ৬ লক্ষ টাকা। ঘটনাকে ঘিরে দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে ফের ছড়াল আতঙ্ক।       বিধাননগরের ব্যবসায়ী প্রবুদ্ধ গুহ সোমবার মোবাইলে একাধিক অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন আসতে দেখেন। সন্দেহ হওয়ায় কোনওটিরই উত্তর দেননি তিনি। দ্রুত ব্যাংক কর্তৃপক্ষকেও জানান বিষয়টি। কিন্তু অভিযোগ, তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মোবাইলে আসে ভয়াবহ বার্তা- অ্যাকাউন্ট থেকে ডেবিট হয়েছে ৬ লক্ষ টাকা।      মুহূর্তে যেন ভেঙে পড়ে পরিবারের ভবিষ্যতের সঞ্চয়ের ভিত। পরিবারের দাবি, চিকিৎসার খরচ এবং ছেলেকে ভর্তি করানোর জন্য কষ্ট করে জমানো শেষ সম্বল ছিল ওই অর্থ। সেই টাকা চোখের পলকে হারিয়ে এখন দিশেহারা পরিবার।     ঘটনার পর প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে। প্রশ্ন একটাই- সতর্ক থাকার পরও যদি সঞ্চয় নিরাপদ না থাকে, তবে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়? ...