Posts

আলোয় ভিড়, নিরাপত্তায় সতর্কতা: চোরবাগানের ছায়ায় আসানসোলের পুজোমণ্ডপ

Image
রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:        উৎসবের আলোয় যখন শহর ভেসে ওঠে, তখন এক মুহূর্তের অসতর্কতাই আনন্দের আকাশে নামিয়ে আনতে পারে শোকের অন্ধকার। কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজো মণ্ডপে মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর সেই আশঙ্কাই নতুন করে সামনে এসেছে আসানসোলে।        পুজোমণ্ডপগুলির নিরাপত্তা জোরদার করতে তৎপর হয়েছে প্রশাসন। রবিবার এ কথা জানিয়েছেন আসানসোল উত্তরের বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়।     চোরবাগানের দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, পুজোর মতো আনন্দের পরিবেশে মানুষের মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক। সব দুর্ঘটনা রোখা সম্ভব না হলেও আগাম সতর্কতা ও সঠিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিপদের আশঙ্কা অনেকটাই কমাতে পারে।      আসানসোলের বিভিন্ন মণ্ডপে প্রবেশ ও প্রস্থানের পথ পর্যাপ্ত এবং বাধামুক্ত কি না, ভিড় সামলাতে যথেষ্ট স্বেচ্ছাসেবক রয়েছেন কি না- তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জরুরি পরিস্থিতিতে দর্শনার্থীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থার উপরেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ...

১৯ নম্বর জাতীয় সড়কে বাসের পিছনে আরটিকার ধাক্কা, মৃত ২

Image
অন্ডাল মোড়ে থেমে গেল জীবন! রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:      রবিবারের সকালটা ছিল অন্য দিনের মতোই। ব্যস্ত ১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক দিয়ে ছুটছিল গাড়ি। কিন্তু অন্ডাল মোড়ের কাছে আচমকাই সেই চেনা পথ পরিণত হল মৃত্যুর মঞ্চে। দুর্গাপুর থেকে আসানসোল যাওয়ার পথে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল দু’জনের। গুরুতর জখম আরও পাঁচজন।       স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্গাপুর থেকে বরাকরের দিকে যাচ্ছিল একটি বাস। অন্ডাল মোড়ের কাছে বাসটির পিছনে সজোরে ধাক্কা মারে একটি আরটিকা গাড়ি। সংঘর্ষের অভিঘাতে চারচাকা গাড়িটি দুমড়েমুচড়ে যায়। ভিতরে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধারে দ্রুত শুরু হয় তৎপরতা।       প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, গাড়িতে ছিলেন মোট সাতজন। ঘটনাস্থল থেকেই দু’জনের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত পাঁচজনকে উদ্ধার করে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁদের চিকিৎসা চলছে।        প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িতে থাকা যাত্রীরা কীর্তন গানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে মৃত ও আহতদের পরিচয় এখনও সম্পূ...

রানীগঞ্জে মহাবীর ঝান্ডা আখড়ার পুরনো জুলুস রুট ফেরার সম্ভাবনা, পরিদর্শনে পুলিশ প্রশাসন

Image
ঐতিহ্যের পথে ফেরার অপেক্ষা!   রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:       রানীগঞ্জের স্মৃতির অলিগলিতে আট বছর ধরে থমকে থাকা এক ঐতিহ্য কি ফের পথ চলার অপেক্ষায়? মহাবীর ঝান্ডা আখড়ার জুলুসের পুরনো রুটে আবারও ফিরতে পারে সেই চেনা উৎসবের পদধ্বনি- এমন সম্ভাবনাতেই নতুন করে আশার আলো দেখছেন এলাকার মানুষ।       পশ্চিম বর্ধমানের রানীগঞ্জে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ঐতিহ্যবাহী জুলুসের পুরনো পথ পুনরায় চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে যৌথ পরিদর্শনে নামলেন পুলিশ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।        উপস্থিত ছিলেন পুলিশ কমিশনার, ডিসিপি সেন্ট্রাল, অ্যাডিশনাল ডিসিপি এসবি, রানীগঞ্জ ও পাঞ্জাবি মোড় থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক, রানীগঞ্জ ট্রাফিক বিভাগের আধিকারিক-সহ পুলিশকর্মীরা।         শিবমন্দির থেকে রাজবাঁধ মোড়, হিলবস্তি মোড়, চুড়িপট্টি মোড় হয়ে এআর রোড এবং জে এল নেহরু রোড পর্যন্ত পুরনো রুটের বিভিন্ন অংশ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন তাঁরা। সেই  সময় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, ভিড় সামলানো, আইনশৃঙ্খলা এবং সাধারণ মানুষ ও ভ...

দত্তপুকুরের ‘মানবিক’-এর উদ্যোগে- শিশুর হাতে পুজোর উপহার, উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিল স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা

Image
নীহারিকা মুখার্জ্জী চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:      পুজোর আনন্দ কি শুধু আলোর মালা, ঢাকের বাদ্যি আর নতুন পোশাকের উচ্ছ্বাসে? নাকি সেই আনন্দ তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা ছুঁয়ে যায় কোনও অসহায় শিশুর মুখের হাসি? পুজোর আনন্দ যখন নতুন পোশাকের রঙে রঙিন, তখন সেই আনন্দই আরও অর্থবহ হয়ে উঠল অসহায় শিশুদের মুখের হাসিতে। এই বিশ্বাসকেই সঙ্গী করে এবারও উৎসবের দিনগুলিতে মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দিল উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘মানবিক’।        ‘মানবিক’ -এর উদ্যোগে এবারও পুজোর উপহার পৌঁছে গেল সমাজের প্রান্তিক শিশুদের হাতে। দীর্ঘ প্রস্তুতি ও বহু মানুষের সহযোগিতায় তিনটি পর্যায়ে প্রায় দুই শতাধিক শিশুর হাতে তুলে দেওয়া হল নতুন পোশাক ও অন্যান্য উপহার।       আয়োজনের দ্বিতীয় পর্যায়ে ‘মানবিক পাঠশালা’র শিশুদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ অনুষ্ঠান। নতুন জামাকাপড় পাওয়ার আনন্দে সকাল থেকেই মুখর ছিল পাঠশালা।        অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাণায়ণ সংস্থার শ্রীমতী পূরবী দাস। তাঁকে সম্মান জানিয়ে তুলে দেওয়া হয় একটি গাছের চারা। উপ...

ঢাকের তালে থেমে গেল উৎসব, চোরবাগানে নেমে এল শোকের ছায়া

Image
সংবাদদাতা, নিউজ হিন্দুস্থান -:      দুর্গাপুজোর আনন্দ, আলোর ঝলকানি আর ঢাকের বাদ্যের মাঝেই মহাসপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজো মণ্ডপে নেমে এল মৃত্যুর অন্ধকার। শনিবার, প্রবল বৃষ্টি ও দর্শনার্থীদের বিপুল ভিড়ে হুড়োহুড়ির সৃষ্টি হয়। সেই বিশৃঙ্খলার মধ্যেই ঘটে মর্মান্তিক পদপিষ্টের ঘটনা।      সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় অন্তত ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। উৎসবের আলো মুহূর্তে বদলে যায় কান্না, আতঙ্ক ও শোকের ভারী অন্ধকারে।        ঘটনার পর পুজোমণ্ডপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, প্রবেশ ও বেরোনোর পথ এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কীভাবে এই বিপর্যয় ঘটল, নিরাপত্তায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না- তা খতিয়ে দেখার দাবি জোরালো হয়েছে।      সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্বচ্ছ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, আহতদের চিকিৎসা এবং মৃতদের পরিবারের পাশে থাকা...

সালানপুর - সপ্তমীর ভোরে মন্দিরের আড়ালে কেঁদে উঠল মানবতা

Image
অঙ্কিতা চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:      উৎসবের ঢাক, আলোর রোশনাই আর সপ্তমীর পবিত্র আবহের মাঝেই সালানপুরে ভেসে এল এক নবজাতকের হৃদয়বিদারক কান্না। দেন্দুয়ার রামডি কালীমন্দিরের পিছনে, নিথর মাটির ওপর একা পড়ে ছিল ঘণ্টা দুয়েকের সদ্যোজাত কন্যাশিশু। সদ্য কাটা নাড়ি ও মাতৃ-অঙ্গের অংশে জড়ানো সেই কাঁপতে থাকা শরীর যেন নীরবে প্রশ্ন তুলছিল- জন্ম কি তবে অপরাধ?      ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ অচেনা নম্বর থেকে সালানপুর থানায় ফোন আসে। মন্দিরের পিছনের ঝোপে কান্নার শব্দ শুনে খবর দেন এক স্থানীয় ব্যক্তি। খবর পেয়ে ইন্সপেক্টর ইনচার্জ বিশ্বজিৎ মণ্ডলের নির্দেশে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুটিকে উদ্ধার করে। স্থানীয় নারীদের সহায়তায় তাকে নিয়ে যাওয়া হয় পিঠাকিয়ারি গ্রামীণ হাসপাতালে।      ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাক্তার তন্ময় মণ্ডলের তত্ত্বাবধানে শুরু হয় চিকিৎসা। চিকিৎসক ও নার্সদের নিবিড় পরিচর্যায় ধীরে ধীরে সাড়া ফিরলেও ক্ষুধার কান্নায় কেঁপে উঠছিল হাসপাতাল। তখনই এগিয়ে আসেন ভর্তি থাকা এক অপরিচিতা মা। নিজের বুকের দুধ পান করিয়ে শান্ত করেন অ...

দুর্গাপুর - সপ্তমীর সকালে সড়কে ঝরে গেল তিন প্রাণ

Image
রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:       সপ্তমীর সকালের উৎসবের আবহে আচমকাই নেমে এল মৃত্যুর কালো ছায়া। দুর্গাপুরের ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাইকে থাকা তিনজনের। মৃতদের মধ্যে দুই বন্ধু সায়ন গোস্বামী ও তন্ময় ঘোষ এবং তাঁদের বান্ধবী কৃষ্ণা গাঙ্গুলী রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।        পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে ভিড়িঙ্গি মোড় থেকে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে পিয়ালার দিকে যাচ্ছিল বাইকটি। সেই সময় চলন্ত একটি ট্রাকের পিছনে সজোরে ধাক্কা মারে বাইকটি। সংঘর্ষের অভিঘাত এতটাই তীব্র ছিল যে বাইকে থাকা তিনজনই ছিটকে পড়েন রাস্তায়।      দুর্ঘটনার পর মুহূর্তেই জাতীয় সড়কে ছড়িয়ে পড়ে চাঞ্চল্য। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ট্রাফিক পুলিশ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে। কিন্তু চিকিৎসকদের আপ্রাণ চেষ্টা সত্ত্বেও শেষরক্ষা হয়নি। সেখানেই তাঁদের মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে।     সায়ন ও তন্ময়- দু’জনেরই বাড়ি আসানসোলের হিরাপুরে। কৃষ...