Posts

মজুরির ন্যায্য হিসেব চেয়ে জেলাশাসকের দুয়ারে শ্রমিকের মিছিল

Image
রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:       ন্যায্য মজুরির দাবিতে এবার কারখানার গণ্ডি পেরিয়ে জেলাশাসকের দরজায় কড়া নাড়লেন সালানপুরের শ্রমিকরা। তিন দিন কারখানার সামনে অবস্থান-বিক্ষোভ করেও সমাধান না মেলায় সোমবার পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক দফতরের সামনে অবস্থানে বসেন এলো কুইন্ট, আসানসোল অ্যালয়, রামদূত সহ একাধিক কারখানার শ্রমিকরা।       শ্রমিকদের অভিযোগ, ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে শ্রমমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সরকার নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি চালুর সিদ্ধান্ত হলেও বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি। নির্ধারিত ৩৮৬ টাকার পরিবর্তে তাঁদের ৩২৩ টাকা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি দীর্ঘ ১৫ মাসের বকেয়া মজুরিও মেলেনি বলে অভিযোগ।     শ্রমিক নেতা অমরনাথ মাহাতোর দাবি, স্থানীয় শ্রমিকদের কাজ থেকে সরিয়ে বাইরে থেকে শ্রমিক এনে কাজ করানো হচ্ছে। প্রতিবাদ করলে পুলিশ ও কর্তৃপক্ষের একাংশের জুলুমেরও অভিযোগ উঠেছে।     প্রায় ১০ হাজার শ্রমিক ও তাঁদের পরিবারের ৫০ হাজার মানুষ এই সংকটে পড়েছেন বলে দাবি আন্দোলনকারীদের। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের আন্দোলনের ...

প্রতিশ্রুতির থালা শূন্য, ক্ষোভে পথে অন্নপূর্ণারা

Image
রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:     প্রতিশ্রুতির আলোয় যে স্বপ্নের প্রদীপ জ্বলেছিল, বাস্তবের অপেক্ষায় তা যেন আজ নিভতে বসেছে। অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা এখনও ব্যাংক অ্যাকাউন্টে না আসায় সোমবার ক্ষোভে ফেটে পড়লেন কুলটির মহিলারা। বরাকর স্টেশন রোডে জড়ো হয়ে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। বিক্ষোভের জেরে যান চলাচল ব্যাহত হয়, ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা।       নির্বাচনী প্রচারে রাজ্যের বিজেপি সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পরিবর্তে মহিলাদের প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা করে অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা দেওয়া হবে। সেই আশায় বহু মহিলা প্রকল্পে আবেদন করেন। কিন্তু অভিযোগ, আবেদন সত্ত্বেও তাঁদের অনেকের অ্যাকাউন্টে এখনও টাকা জমা পড়েনি।      এদিন ক্ষোভের আগুনেই পথে নামেন মহিলারা। তাঁদের দাবি, প্রতিশ্রুতির টাকা দ্রুত তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে দিতে হবে। খবর পেয়ে কুলটি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে।         একদিকে সংসারের হিসাব, অন্যদিকে প্রতিশ্রুতির অপেক্ষা- এই ...

ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরার সুর- সালানপুরে কংগ্রেসের সৃজন অভিযান

Image
সংবাদদাতা, নিউজ হিন্দুস্থান -:        সাংগঠনিক পুনর্জাগরণের সুরে সোমবার সরগরম হয়ে উঠল সালানপুর। সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির নির্দেশনায় দেশজুড়ে চলা ‘সংগঠন সৃজন অভিযান’-এর অঙ্গ হিসেবে একটি বেসরকারি সভাগৃহে অনুষ্ঠিত হল গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক সভা। উপস্থিত ছিলেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন বিধায়ক তথা পশ্চিম বর্ধমান জেলার এআইসিসি-নিযুক্ত পর্যবেক্ষক রাজেশ রাঠোর।       সভায় রাঠোর জানান, তৃণমূল স্তর থেকে সংগঠনকে আরও শক্ত ভিতের উপর দাঁড় করানো এবং জেলা কংগ্রেস কমিটিকে নতুন করে সাজানোই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য। নতুন জেলা সভাপতি নির্বাচনের পাশাপাশি মহিলা, সংখ্যালঘু, এসসি-এসটি ও ওবিসি শাখাতেও যোগ্য নেতৃত্বকে দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। তাঁর কথায়, এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই জেলায় কংগ্রেসের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে।     এদিন সভায় তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে শতাধিক কর্মী-সমর্থকের কংগ্রেসে যোগদান রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করে। এই যোগদানকে রাঠোর আখ্যা দেন ‘ঘর ওয়াপসি’র। কল্যা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা থেকে আসা এই কর্মীদের হাতে কংগ্রে...

দুধকাণ্ডের বিতর্কে আত্মপক্ষ সমর্থন, ফুটপাথ নিয়ে কঠোর বার্তা অগ্নিমিত্রার

Image
সংবাদদাতা, নিউজ হিন্দুস্থান -:     কলকাতার পার্কস্ট্রিটের ফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করার ঘটনাকে ঘিরে বিতর্কের আবহেই শহর পরিষ্কার ও শৃঙ্খলাবদ্ধ করার প্রশ্নে আরও একবার কঠোর বার্তা দিলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।      সোমবার সকালে সমাজমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওবার্তায় তিনি দাবি করেন, সেদিন কোনও শিশুর মুখের দুধ কেড়ে নেওয়া হয়নি; শুধু ব্যস্ত ফুটপাথ থেকে পরিবারটিকে সরে যেতে বলা হয়েছিল।      মন্ত্রী বলেন, ফুটপাথে হামাগুড়ি দেওয়া শিশুকে ঘিরে যেকোনও মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সেই দায় কে নেবে- প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, ফুটপাথ কোনও গৃহস্থের উঠোন নয়; সেখানে পথচারীর অধিকারই সবার আগে। গরিব কিংবা বড়লোক- ফুটপাথ কাউকে আলাদা করে চেনে না, তার বুক দিয়ে চলেন সকল মানুষ।      বিরোধীদের সমালোচনার জবাবে অগ্নিমিত্রার তোপ, বছরের পর বছর ফুটপাথ দখল, বেআইনি পার্কিং ও অনিয়মকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে। এখন সেগুলি সরিয়ে শহরকে স্বাভাবিক পথে ফেরানোর উদ্যোগ নিতেই রাজনৈতিক আপত্তি উঠছে। তবে সরকারের কাজ কারও সুবিধা-অসুবিধার হিসাব কষে থেমে থাকবে না বল...

উৎসবের ঢাকে এবার নিরাপত্তার প্রহর- বাংলায় ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

Image
  সংবাদদাতা, নিউজ হিন্দুস্থান -:     নির্বাচনের উত্তাপ থেমেছে, কিন্তু নিরাপত্তার প্রহর যেন আরও দীর্ঘ। উৎসবের মরশুমের আগে পশ্চিমবঙ্গে ফের বাড়ল কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনীর উপস্থিতি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সিদ্ধান্তের পর রবিবার রাতে পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল রেলস্টেশনে পৌঁছয় ৬ কোম্পানি জওয়ান। পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আরও ৫০ কোম্পানি বাহিনী এসেছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। ফলে রাজ্যে মোট কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১০০ কোম্পানিতে।       বিএসএফ, সিআরপিএফ ও এসএসবির জওয়ানরা স্পর্শকাতর এলাকায় নজরদারি, টহলদারি এবং প্রয়োজনমতো স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবেন। নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতির পাশাপাশি আসন্ন দুর্গাপুজো ও অন্যান্য বড় উৎসবের ভিড় সামলানোও তাঁদের অন্যতম দায়িত্ব হতে পারে।    পুজোর আলো জ্বলার আগে তাই নিরাপত্তার বৃত্তও যেন আরও আঁটসাঁট। মণ্ডপ, বাজার, রেলস্টেশন, ধর্মীয় স্থান ও জনবহুল এলাকায় বাড়তে পারে নজরদারি।      যদিও বিপুল কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুর...

“ক্ষমতা নয়, মানুষের দরজায় দায়িত্ব”- বার্নপুরে অগ্নিমিত্রার কড়া বার্তা

Image
রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:      নির্বাচনের উত্তাপ পেরিয়ে এবার সংগঠনের ঘরে ফিরল দায়িত্বের পাঠ। বার্নপুরের ভারতী ভবনে মণ্ডল স্তরের কর্মী ও কার্যকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। বৈঠকের মূল সুর- মানুষের দরজায় পৌঁছতে হবে, শুনতে হবে অভাব-অভিযোগ, আর সরকারি পরিষেবার সুফল পৌঁছে দিতে হবে প্রকৃত প্রাপকের হাতে।       অগ্নিমিত্রা কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের সমস্যা চিহ্নিত করার নির্দেশ দেন।   অন্নপূর্ণা প্রকল্প, পানীয় জল, রাস্তা, পথবাতি, নিকাশি, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও প্রাথমিক স্কুল- কোথাও সমস্যা থাকলে তা প্রশাসনের নজরে আনার কথা বলেন তিনি। হাসপাতাল, থানা ও জরুরি পরিষেবার প্রয়োজনীয় যোগাযোগ নম্বরও মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বার্তা দেন।        তবে বৈঠকের সবচেয়ে কড়া সুর ছিল তোলাবাজি ও বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে। মন্ত্রীর স্পষ্ট সতর্কবার্তা, দলের নাম ব্যবহার করে কেউ তোলাবাজি বা বেআইনি কাজে জড়ালে তাঁকে কোনওভাবেই রক্ষা করা হবে না। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে দল থেকে বহিষ্কারের মতো কঠোর পদক্ষেপও...

ইঞ্জেকশনের পর থেমে গেল প্রাণ- আখলপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মৃত্যুকে ঘিরে ক্ষোভ

Image
রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:        জীবন বাঁচানোর আশায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এসেছিলেন ৪৫ বছরের বুধনি হেমরম। কিন্তু কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই নিভে গেল তাঁর জীবনের আলো। জামুড়িয়ার আখলপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে পড়ে তীব্র উত্তেজনা।     পরিবারের দাবি, রবিবার সকাল ৮টা নাগাদ বুকে ও কোমরে তীব্র ব্যথা নিয়ে দামোদরপুর ছাতাডাঙা আদিবাসীপাড়ার বাসিন্দা বুধনিকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আনা হয়। অভিযোগ, চিকিৎসককে না ডেকে কর্মরত নার্সরা তাঁকে ইঞ্জেকশন দেন। এরপর ব্যথা আরও বেড়ে যায়। চিকিৎসককে ডাকার জন্য বারবার অনুরোধ করেও দ্রুত সাড়া মেলেনি বলে অভিযোগ পরিবারের। কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হয় বুধনির।      প্রিয়জনের নিথর দেহ ঘিরে কান্না আর ক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে স্বাস্থ্যকেন্দ্র চত্বর। দুই নার্সের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ও সাসপেনশনের দাবিতে শুরু হয় বিক্ষোভ। খবর পেয়ে জামুড়িয়া থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয়।          ব্লক মেডিকেল অফিসার অবিনাশ বেসরা জানিয়েছেন, অভিযোগ খতিয়ে...