Posts

আজকের দিনপঞ্জি

Image
প্রাত্যহিক প্রভাতী শুভেচ্ছা আজ: ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, শনিবার, ইংরেজী: ৯ মে ২০২৬। সূর্য উদয়: সকাল ০৫:০৪:১৯ এবং সূর্য অস্ত: বিকাল ০৬:০৪:৩১। চন্দ্র উদয়: রাত্রি ১২:১৯:১৬ এবং চন্দ্র অস্ত: সকাল ১১:৪৫:৪১। কৃষ্ণ পক্ষ  তিথি: সপ্তমী (ভদ্রা) সকাল ঘ ০৯:৩৩:০২ দং ১১/১৯/৫ পর্যন্ত। নক্ষত্র: শ্রবণা  কালরাত্রি: ০৬:০৪:৩৭ থেকে  ০৭:২৬:৪৩ পর্যন্ত। জন্মের সময়ে মকর রাশি, বৈশ্য বর্ন, দেব গন, অষ্টোত্তরী বৃহস্পতির দশা এবং বিংশোত্তরী চন্দ্রর দশা। শুভ দিন: ক্রয় শুভ, বিক্রি অশুভ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মোৎসব (২৫ বৈশাখ,১২৬৮ সন)। দেশ নায়ক গোপালকৃষ্ণ গোখেলের জন্মদিবস  (৯ মে,১৮৮৬ খৃষ্টাব্দে)। বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস। দিনটি সফল ও মঙ্গলময় হয়ে উঠুক।

মাধ্যমিকে নজরকাড়া ফল মঙ্গলকোটের গণপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের

Image
​ সৌভিক সিকদার, মঙ্গলকোট -:          গ্রামীণ ও মফস্বল এলাকার সীমাবদ্ধতাকে জয় করে আবারও মেধার স্বাক্ষর রাখল মঙ্গলকোটের গণপুর উচ্চ বিদ্যালয়। ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষায় এই বিদ্যালয়ের ফলাফল ব্লক জুড়ে রীতিমতো সাড়া ফেলে দিয়েছে। বিদ্যালয় সূত্রে খবর, এবছর মোট ১১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১০৯ জনই সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে।        ​কৃতিত্বের এখানেই শেষ নয়, বিদ্যালয়টি থেকে ১২ জন পরীক্ষার্থী প্রথম বিভাগে স্থান করে নিয়েছে এবং ৫ জন পড়ুয়া পেয়েছে ‘স্টার’ মার্কস। এবারের পরীক্ষায় বিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নম্বর উঠেছে ৬২১। যুগ্মভাবে এই গৌরব অর্জন করেছে অনুসূয়া দাস বৈরাগ্য ও অর্পিতা গড়াই। প্রত্যন্ত এলাকার সাধারণ ঘরের মেয়েদের এই কৃতিত্বে খুশির হাওয়া এলাকায়।       ​বিদ্যালয়ের এই ধারাবাহিক সাফল্যে তৃপ্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কার্তিক মণ্ডল। তিনি জানান, "শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রমের ফল এই সাফল্য। আমাদের বিদ্যালয় বরাবরই ভালো ফল করে, তবে এবার ছাত্রীদের যুগ্ম শীর্ষস্থান অর্জন আমাদের গর্বিত করেছে।" প্রতিকূলতার মধ্যেও গণপুর উচ্চ বিদ্যাল...

শিলিগুড়ি ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি ও কিনস্ কেয়ার-এর মধ্যে মউ স্বাক্ষর

Image
  ভাস্কর চক্রবর্তী, শিলিগুড়ি:- উত্তরবঙ্গের অন্যতম অগ্রণী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিলিগুড়ি ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এসআইটি) শিক্ষা ও সমাজকল্যাণের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। সম্প্রতি এক বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিলিগুড়ির চিকিৎসাক্ষেত্রে অন্যতম স্বনামধন্য সংস্থা ‘কিনস্ কেয়ার’-এর সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক বা মউ (MoU) স্বাক্ষর করল মহাবিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এদিনের এই সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটির তদারকি ও সার্থক রূপায়ণের দায়িত্বে ছিল এসআইটি মহাবিদ্যালয়ের ব্যাচেলর অফ কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন (বিসিএ) বিভাগ। এই বিশেষ অনুষ্ঠানে এসআইটি-র পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ডঃ জয়দীপ দত্ত, প্রিন্সিপাল ইনচার্জ ডঃ অরুন্ধতী চক্রবর্তী এবং বিসিএ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান শ্রী রত্নাঙ্কুর মজুমদার সহ অন্যান্য অধ্যাপক ও আধিকারিকবৃন্দ। অন্যদিকে, কিনস্ কেয়ার-এর তরফে প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনিয়া ঘটরাজ। শিলিগুড়ি ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি বরাবরই সমাজ ও আধুনিক শিক্ষার মেলবন্ধন ঘটিয়ে প্রগতিশীল পথে এগিয়ে চলেছে এবং এই মউ স্বাক্ষর সেই সুদূরপ্রসারী চিন্তারই এক বাস্তব প্রতিফলন। বর্তমান বিশ্বের পরিবর্তনশীল ও যুগ...

মাধ্যমিকের মেধা তালিকায় হুগলীর দাপট

Image
নীহারিকা মুখার্জ্জী চ্যাটার্জ্জী,  হুগলী -: ​         মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হতেই দেখা গেল মেধা তালিকায় হুগলী জেলার জয়জয়কার। এবারের রাজ্যের প্রথম দশ জনের তালিকায় এই জেলা থেকে মোট ১১ জন ছাত্রছাত্রী স্থান করে নিয়ে নজির গড়েছে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোর মধ্যে হুগলীর এই নজরকাড়া সাফল্য শিক্ষা মহলে বিশেষ চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।        ​জেলায় প্রথম দশে স্থান পাওয়া কৃতিদের মধ্যে বিশেষভাবে উজ্জ্বল আরামবাগের জোড়া সাফল্য। আরামবাগ হাই স্কুলের অর্কপ্রভ পাল ৬৯১ নম্বর পেয়ে রাজ্যে সপ্তম এবং আরামবাগ গার্লস হাই স্কুলের তমোহা কুন্ডু ৬৮৯ নম্বর পেয়ে রাজ্যে নবম স্থান অধিকার করেছে। এছাড়াও উত্তরপাড়া, শ্রীরামপুর এবং চুঁচুড়া মহকুমার একাধিক ছাত্রছাত্রী মেধা তালিকায় জায়গা করে নিয়ে জেলার মুখ উজ্জ্বল করেছে। সামগ্রিক ফলাফলে হুগলী এবার অন্যতম সেরা স্থান দখল করেছে।         ফল প্রকাশের পর থেকেই কৃতিদের বাড়িতে খুশির আমেজ। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কৃতিদের অভিনন্দন জানানো হয়েছে। এই সাফল্য আগামী দিনে জেলার ছাত্রছাত্রীদের আরও উৎসাহিত ক...

রাজনীতিকে বিদায় জানালেন কবি দত্ত

Image
অঙ্কিতা চ্যাটার্জ্জী, দুর্গাপুর -:            বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পরেই শিল্পাঞ্চলের রাজনীতিতে বড় চমক। নির্বাচনী লড়াইয়ের ময়দান থেকে চিরতরে বিদায় নেওয়ার ঘোষণা করলেন দুর্গাপুর পশ্চিম কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী কবি দত্ত (বাপ্পা)। শুক্রবার সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টের মাধ্যমে নিজের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।        ​ফলাফলের গতিপ্রকৃতি দেখে কবি দত্ত স্পষ্ট জানান যে, গণতন্ত্রে সাধারণ মানুষের রায়ই শেষ কথা। পরাজয় স্বীকার করে নিয়ে তিনি বলেন, "জনতাই ঈশ্বর, তাদের সিদ্ধান্তই শিরোধার্য।" সৌজন্যের নজির গড়ে তিনি নতুন সরকারকে আগাম অভিনন্দনও জানিয়েছেন।         ​৩৬ দিনের এই সংক্ষিপ্ত রাজনৈতিক সফর নিয়ে কিছুটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এই ব্যবসায়ী-রাজনীতিবিদ। তিনি লেখেন, এই সময়ের মধ্যে নিজের অজান্তে কাউকে আঘাত দিয়ে থাকলে তিনি ক্ষমাপ্রার্থী। তার পোস্টের শেষে লেখা ছিল— "৩৬ দিনের রাজনৈতিক অধ্যায়ের ইতি। রাজনৈতিক সফর থেকে বিদায়। ভালো থাকুন সবাই, ভালো রাখুন সবাইকে।" ফল ঘোষণার পরপরই তার এই আচমকা সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত ...

জামুড়িয়ায় ফের ‘সিন্ডিকেট ছায়া’?

Image
সংবাদদাতা, জামুড়িয়া -:          রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটলেও শিল্পাঞ্চল ও কয়লাঞ্চলের চিরাচরিত ‘সিন্ডিকেট’ সংস্কৃতি থেকে মুক্তি মেলেনি বলেই অভিযোগ উঠছে। জামুড়িয়া থেকে অন্ডাল—বিস্তীর্ণ এলাকায় ফের মাথাচাড়া দিচ্ছে টেন্ডার, পার্কিং এবং কয়লা লিফটিং দখলের পুরনো রোগ। ভোটের আগে যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল বর্তমান শাসক শিবির, এখন তাদেরই ঘনিষ্ঠ কিছু প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে একই ধরনের ‘দখলদারির’ অভিযোগ তুলছেন ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের একাংশ।         ​এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি উত্তপ্ত তপসি রেল সাইডিং এলাকা। স্থানীয় সূত্রের খবর, অন্ডালের এক প্রভাবশালী ‘বাহুবলী’ গোষ্ঠী সেখানে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে, যা নিয়ে কর্মীদের মধ্যে বচসা ও হুমকির ঘটনাও ঘটেছে। সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন মাঝারি ও ছোট কয়লা ব্যবসায়ীরা। অভিযোগ, সরকারি ডিও (Delivery Order) থাকা সত্ত্বেও গত চারদিন ধরে বহু ট্রাক লোডিং না হয়েই ফিরে যাচ্ছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, নতুন নিয়ন্ত্রকদের সঙ্গে ‘সমঝোতা’ না করলে কাজ এগোচ্ছে না—এমন বার্তাই ঘুরছে অন্দরমহলে।        ​কোটি টাকার ব্যবস...

মেধা তালিকায় আসানসোলের অভিষেক, খুশির হাওয়া শিল্পাঞ্চলে

Image
অঙ্কিতা চ্যাটার্জ্জী, আসানসোল -:          মাধ্যমিকের মেধা তালিকায় দশম স্থান অধিকার করে পশ্চিম বর্ধমান জেলার মুখ উজ্জ্বল করল আসানসোল রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র অভিষেক দাস। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮। সে বাংলা, জীবন বিজ্ঞান এবং অংকে ১০০-তে ১০০ পেয়েছে।       ​আসানসোলের শহীদ সুকুমার পল্লীর বাসিন্দা অভিষেকের এই সাফল্যে খুশির জোয়ার তার পরিবার ও এলাকায়। বাবা অসিত দাস পেশায় একজন ডেলিভারি কর্মী এবং মা ঝুমা দাস গৃহবধূ। সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের এই লড়াকু মেধাবী জানায়, পরীক্ষার ফল ভালো হবে আশা থাকলেও রাজ্যের মেধা তালিকায় স্থান পাওয়া ছিল অভাবনীয়। তার সাফল্যের নেপথ্যে স্কুলের মহারাজ ও শিক্ষকদের বিশেষ অবদানের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্বীকার করেছে সে।          ​ভবিষ্যতে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখা অভিষেক জানায়, রাতে শান্ত পরিবেশে পড়াশোনা করতেই সে বেশি পছন্দ করত। গল্পের বই পড়া তার অন্যতম শখ। আগামী দিনের পরীক্ষার্থীদের তার পরামর্শ— "নিজের মতো করে মন দিয়ে পড়াশোনা করলেই সাফল্য নিশ্চিত।" তার এই সাফল্যে গর্বিত রামকৃষ্ণ মিশন কর্তৃপক্ষও।