Posts

রায়দিঘি বাজারে বুধবার চলল বিশেষ খাদ্য সুরক্ষা অভিযান

Image
রমেশ রায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনা:-                    রায়দিঘি বাজারে বুধবার চলল বিশেষ খাদ্য সুরক্ষা অভিযান। রায়দিঘী বাজার সংলগ্ন এলাকায় খাদ্য সুরক্ষা শাখা, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতর, পশ্চিমবঙ্গ সরকার-এর উদ্যোগে এই বিশেষ খাদ্য সুরক্ষা অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বিডিও, ফুড সেফটি অফিসার, ডিইবি-এর আধিকারিকবৃন্দ। অভিযানের সময় নজর দেওয়া হয়,  মেয়াদ উত্তীর্ণ খাদ্যদ্রব্য আছে কিনা, যদি থাকে তা নষ্ট করা, নির্দিষ্ট লাইসেন্স আছে  কিনা। সন্দেহজনক ও লেবেলবিহীন খাদ্যদ্রব্যের নমুনা সংগ্রহ করা সহ আরও অন্যান্য বিষয়গুলি দেখা। সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করা এবং অনিরাপদ খাদ্য গ্রহণের ফলে সৃষ্ট বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষ ও খাদ্য ব্যবসায়ীদের মধ্যে খাদ্য সুরক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই হল এই কর্মসূচির লক্ষ্য।

‘রেটের রাজনীতি’র অডিও ঘিরে উত্তাপ, নিশানায় মন্ত্রীর ছেলে- কংগ্রেসের বিস্ফোরক অভিযোগ

Image
সংবাদদাতা, নিউজ হিন্দুস্থান -:       রাজনীতির মঞ্চে অভিযোগের তীর, তার সঙ্গে ভাইরাল অডিও ঘিরে নতুন জল্পনা। আসানসোলে সাংবাদিক সম্মেলন করে কংগ্রেস নেতারা অভিযোগ তুললেন, ‘‘মানুষ চোর তাড়িয়ে ডাকাত এনেছে’’- আগেই তাঁরা এমন আশঙ্কার কথা বলেছিলেন। তাঁদের দাবি, রাজ্যের মন্ত্রী অজয় পোদ্দার ও তাঁর ছেলে তথা বিজেপি নেতা কেশব পোদ্দারের আমলে কুলটি ও আসানসোলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যা আগে কখনও দেখা যায়নি।        কংগ্রেসের তরফে প্রকাশ করা একটি অডিওকে কেন্দ্র করেই মূল অভিযোগ। সেখানে কে কোন কাজ পাবেন, কিংবা প্রতি টনে কত টাকা দিতে হবে- এমন ‘রেট ফিক্সিং’-এর কথোপকথন রয়েছে বলে দাবি কংগ্রেসের। তবে ওই অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।       কংগ্রেস নেতাদের অভিযোগ, মন্ত্রীর ছেলেই নাকি কাজের ‘দর’ ঠিক করছেন। সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁরা একের পর এক অভিযোগ তুলে ধরেন।       অভিযোগ প্রসঙ্গে কেশব পোদ্দার বলেন, কংগ্রেসের হাতে কোনও ইস্যু নেই বলেই এসব নিয়ে রাজনীতি করছে। তাঁর কথায়, ‘‘আমি নিজেই জানি না এটা কিসের অডিও- এখনকার না পুরোনো...

রিপোর্ট ছিল হাতে —সাড়ে তিন মাসের নীরবতায় প্রশ্নের মুখে হাসপাতাল

Image
চিত্তরঞ্জন প্রসাদ, নিউজ হিন্দুস্থান -:         একটি রিপোর্ট। কয়েকটি শব্দ। অথচ সেই শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে থাকতে পারে অনাগত সন্তানের ভবিষ্যৎ। সেই গুরুত্বপূর্ণ রিপোর্টই নাকি সাড়ে তিন মাস ধরে পরিবারের অজানায় পড়ে ছিল- এমনই গুরুতর অভিযোগ উঠেছে রূপনারায়ণপুর গ্রামীণ হাসপাতাল (পিঠাকিয়ারি) কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।       অভিযোগকারী রোহিত ধাবল দেব জানিয়েছেন, তাঁর গর্ভবতী স্ত্রীর থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা করা হয় হাসপাতালে। ১১ মে নমুনা সংগ্রহ, ১৮ মে পরীক্ষা এবং ১৯ মে রিপোর্ট তৈরি হয়। রিপোর্টে স্ত্রীকে বিটা থ্যালাসেমিয়া বাহক হিসেবে উল্লেখ করা হলেও পরিবারকে তা জানানো হয়নি বলে অভিযোগ।        বারবার হাসপাতালের দ্বারস্থ হওয়ার পর অবশেষে ১ সেপ্টেম্বর, রিপোর্ট তৈরির প্রায় সাড়ে তিন মাস পরে, তাঁদের হাতে রিপোর্ট তুলে দেওয়া হয় বলে দাবি অভিযোগকারীর। তাঁর প্রশ্ন, সময়মতো খবর পেলে চিকিৎসকের পরামর্শ, স্বামীর পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পাওয়া যেত।         ঘটনায় BMOH-এর কাছে লিখিত অভিযোগ করে নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব...

বৃষ্টির জলে ডোবে ঘর, বালতিতে জমে মানুষের কান্না!

Image
অঙ্কিতা চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:       বাইরে তখন আকাশ ভেঙে বৃষ্টি। আর ঘরের ভিতর হাঁটু ছুঁইছুঁই জল। কারও মেঝে ডুবে গিয়েছে, কারও দরজার চৌকাঠ পেরিয়ে নোংরা জল ঢুকে পড়েছে ঘরে। কোথাও উঠোন পরিণত হয়েছে ছোট্ট জলাশয়ে। বাইরে যাওয়ার পথ নেই, ঘরের ভিতরেও নেই স্বস্তি।         মাথার উপর মুষলধারার বৃষ্টি, পায়ের নিচে জল- তার মাঝেই বালতি, হাঁড়ি কিংবা যে পাত্র হাতের কাছে পেয়েছেন, তা নিয়েই জল সেচছেন বাসিন্দারা। আসানসোল উত্তর বিধানসভা এলাকার দিলদারনগর, রামকৃষ্ণ ডাঙাল, চাঁদমারি-সহ একাধিক এলাকার এই ছবি যেন বর্ষার দুর্ভোগের নয়, অসহায়তার এক জীবন্ত দলিল।  দু’দিনের টানা বৃষ্টিতে যেন বর্ষা শুধু আকাশেই নামেনি, নেমেছে মানুষের ঘরেও।       বাসিন্দাদের অভিযোগ, এ ছবি নতুন নয়। প্রতি বর্ষায় বৃষ্টি নামে, জল জমে, নালা উপচে পড়ে, মানুষ ভোগেন- তারপর জল নামলে সব যেন ভুলে যাওয়া হয়। অথচ জল নামানো আর জলযন্ত্রণা মুছে ফেলা এক নয়।      প্রশ্ন তাই থেকেই যায়- স্থায়ী নিকাশি পরিকল্পনা কোথায়? নিয়মিত নালা পরিষ্কার, জলপ্রবাহের পথ পুনর্গঠন এবং নিচু এলাক...

অঝোর বৃষ্টিতে জলবন্দি আসানসোল উত্তর, দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ

Image
চিত্তরঞ্জন প্রসাদ, নিউজ হিন্দুস্থান -:        লাগাতার দু’দিনের ভারী বৃষ্টিতে আসানসোল উত্তর বিধানসভা এলাকার জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত। দিলদারনগর, রামকৃষ্ণ ডাঙাল, চাঁদমারি সহ একাধিক এলাকায় বৃষ্টির জল জমে রাস্তাঘাট জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। নিচু এলাকাগুলিতে পরিস্থিতি আরও গুরুতর হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন চলাচলে ব্যাপক সমস্যা দেখা দিয়েছে।         জল জমে থাকার কারণে পথচারীদের পাশাপাশি সমস্যায় পড়ছেন মোটরবাইক ও ছোট গাড়ির চালকেরাও। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার একাংশ জলের তলায় চলে যাওয়ায় যান চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে বেরিয়ে জল পেরিয়ে গন্তব্যে পৌঁছতে হচ্ছে বহু মানুষকে।      স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতি বর্ষাতেই জলনিকাশি ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি ঘটে। তাঁদের দাবি, জমে থাকা জল দ্রুত সরানোর পাশাপাশি নালা-নর্দমা নিয়মিত পরিষ্কার, পর্যাপ্ত ড্রেনেজ এবং জলনিকাশির স্থায়ী পরিকাঠামো গড়ে তোলা প্রয়োজন।       বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক। জলমগ্ন এলাকাগুলিতে প্রশাসন ও প...

বৃষ্টির কোপে পথের বুক চিরে ধস, যোগাযোগে বিপর্যয়

Image
অঙ্কিতা চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:      টানা বৃষ্টির দাপটে এবার যেন মাটিও হারাল তার বাঁধন। কয়েক দিনের মুষলধারে বৃষ্টির জেরে ভয়াবহ ধস নামল আসানসোলের বারাবনি বিধানসভা এলাকায়। ভানড়া ভাসকাজুড়ি থেকে নুনী মোড়গামী গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি মদনমোহনপুর গ্রামের কাছে আচমকাই বসে গিয়ে তৈরি হয়েছে বিশাল খাদ।       স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ৭০ থেকে ৮০ ফুট রাস্তা জুড়ে ধস নেমেছে। ফলে ওই পথে যান চলাচল কার্যত বন্ধ। প্রতিদিনের যাতায়াত থমকে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও নিত্যযাত্রীরা।      খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ প্রশাসন। দুর্ঘটনার আশঙ্কায় ধসের জায়গাটি ঘিরে দেওয়া হয়েছে এবং নিরাপত্তার জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।       স্থানীয়দের দাবি, রাস্তাটি প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার আওতায় নির্মিত। প্রবল বৃষ্টিতে এতটা অংশ কীভাবে ধসে পড়ল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। দ্রুত রাস্তা মেরামত করে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।          বৃষ্টির জেরে ভেঙে পড়া পথ এখন য...

পুকুরের জলে হারিয়ে গেল কিশোরের শেষ বিকেল

Image
রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:       দোমাহানি বাজারের বড়বাথান এলাকায় আচমকাই নেমে এল শোকের ছায়া। পুকুরের জলে তলিয়ে গিয়ে নিখোঁজ এক স্কুলছাত্রকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বারাবনি থানার দোমাহানি বাজার এলাকায়। নিখোঁজ ছাত্রটি চরণপুর এলাকার বাসিন্দা এবং দোমাহানি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির পড়ুয়া।        জানা গিয়েছে, এদিন দুই বন্ধুর সঙ্গে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল ওই কিশোর। তারপরই পুকুরের জলে তলিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই আনন্দের বিকেল পরিণত হয় উৎকণ্ঠা আর কান্নায়। খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে ভিড় জমান স্থানীয় বাসিন্দারা।       নিখোঁজ ছাত্রের সন্ধানে পুকুরে তল্লাশি শুরু করেছে উদ্ধারকারী দল। নামানো হয়েছে প্রশিক্ষিত ডুবুরি। জলের গভীরে চলছে একটানা অনুসন্ধান। ঘটনাস্থলে রয়েছে বারাবনি থানার পুলিশ। প্রতিটি মুহূর্ত যেন পরিবারের কাছে হয়ে উঠেছে দীর্ঘ এক অপেক্ষা- জল সরিয়ে কখন ভেসে উঠবে প্রিয় মুখ, সেই আশাতেই তাকিয়ে সকলে।