Posts

দুর্গাপুরে ভোটের ময়দানে ‘সাপ-লুডু’! অভিনব প্রচারে চমক তৃণমূলের

Image
অনন্ত রুইদাস, দুর্গাপুর:- দুর্গাপুরে বিধানসভা নির্বাচনের আবহে একেবারে ব্যতিক্রমী প্রচার কৌশল সামনে আনল তৃণমূল কংগ্রেস। ‘সাপ-লুডু’ খেলাকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের কাছে রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগ ইতিমধ্যেই ইস্পাত নগরীতে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। শহরের রামকৃষ্ণ এভিনিউ এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কর্মীরা পথচলতি মানুষ এবং গাড়িচালকদের হাতে বিশেষভাবে তৈরি লুডুর বোর্ড তুলে দিচ্ছেন। এই বোর্ডে সাপের মুখে কার্টুনের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতার ছবি। অন্যদিকে, মইয়ের ঘরগুলোতে স্থান পেয়েছে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পের চিত্র। শুধু বোর্ড বিতরণেই সীমাবদ্ধ থাকেনি এই প্রচার। গরমের মধ্যে সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখে ঠান্ডা পানীয়ও বিতরণ করা হচ্ছে, যাতে মানুষের অংশগ্রহণ আরও বাড়ে। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, খেলাচ্ছলে এই প্রচার মানুষের কাছে সহজভাবে রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছে দিতে কার্যকর ভূমিকা নিচ্ছে। তৃণমূল নেতা পল্লব রঞ্জন নাগের কথায়, এই উদ্যোগের মাধ্যমে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতীকীভা...

পাণ্ডবেশ্বরে খেলা হবে! নরেন জিতবে ৪০ হাজারে, হুঙ্কার দিলেন কেষ্ট মণ্ডল

Image
অনন্ত রুইদাস, পাণ্ডবেশ্বর:- ভোটের ময়দান তপ্ত, আর তার মাঝেই ফের স্বমহিমায় বীরভূমের ‘বেতাজ বাদশা’ অনুব্রত মণ্ডল! জেল থেকে ফেরার পর মেজাজ পাল্টায়নি একচুলও। এবার তাঁর নিশানায় পাণ্ডবেশ্বর। সাফ জানিয়ে দিলেন, ওখানকার তৃণমূল প্রার্থী নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী জিতছেনই, আর মার্জিন হবে পুরো ৪০ হাজার! বিরোধীদের কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়ে কী বললেন কেষ্ট? দেখুন এই বিশেষ প্রতিবেদন। আসানসোল থেকে বীরভূম—রাজনীতির পারদ চড়াতে অনুব্রত মণ্ডলের একটা মন্তব্যই যথেষ্ট। পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে এবার বড়সড় বাজি ধরলেন তিনি। আত্মবিশ্বাসের সুরে অনুব্রত দাবি করেছেন, “নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী জিতবে এবং সেই জয়ের ব্যবধান হবে কমপক্ষে ৪০ হাজার ভোট!” পাণ্ডবেশ্বরের মাটি তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত হলেও, এবারের লড়াইয়ে কোনো ফাঁক রাখতে রাজি নন তিনি। অনুব্রতর এই মন্তব্য কি কেবলই দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করতে, নাকি পর্দার আড়ালে কোনো বিশেষ ‘গেমপ্ল্যান’ তৈরি করে ফেলেছেন তিনি? সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। অনুব্রত মণ্ডলের কোথায় "আমি বলছি মিলিয়ে নেবেন, নরেন চক্রবর্তী ৪০ হাজারে জিতবে। ওখানে বিরোধী বলে ক...

অসহায় শিশুদের পাশে নিউ ব্যারাকপুরের সংস্থা

Image
নীহারিকা মুখার্জ্জী চ্যাটার্জ্জী,      নিউ ব্যারাকপুর-:        নিজেদের সাধ্যমতো সারাবছর ভিলপাড়ার অসহায় শিশুদের পাশে থাকে উত্তর চব্বিশ পরগণার দত্ত পুকুরের 'মানবিক পাঠশালা'-র সদস্যরা। এবার বছরের প্রথমদিন ওদের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিল নিউ ব্যারাকপুরের 'স্বামীজি অ্যান্ড নেতাজী ইনস্টিটিউশন' নামক একটি সংস্থা। 'মানবিক পাঠশালা'-র বাচ্চাদের জন্য নতুন বছরের উপহার হিসাবে ওদের পক্ষ থেকে নিয়ে আসা হয় নতুন জামাকাপড়। এক এক করে ৪৫ জন বাচ্চার হাতে যখন নতুন জামা তুলে দেওয়া হচ্ছিল তখন বাচ্চাদের মুখ থেকে ঝরে পড়ছিল পবিত্র হাসি। শুধু নতুন পোশাক নয়, বাচ্চাদের জন্য শুকনো খাবারও উনারা নিয়ে আসেন। সবমিলিয়ে বছরের প্রথম দিন 'মানবিক পাঠশালা' একটা খুব সুন্দর মুহূর্তের সাক্ষী থাকার সুযোগ পায়।        সংস্থার জনৈক সদস্য বললেন, "আমরা 'মানবিক পাঠশালা'র মানবিকতার কথা অনেক শুনেছি। আজকে সেটা খুব কাছ থেকে অনুভব করলাম। বুঝতে পারলাম,সামান্য ভালোবাসা আর যত্ন দিয়েও কতটা বড়ো আনন্দ তৈরি করা যায়। বাচ্চাদের আনন্দই আজকের দিনের সবচেয়ে বড়ো প্রাপ্তি।"     ...

নতুন প্রাণের স্পন্দনে বর্ষবরণ, মেতে উঠল কচিকাচারা

Image
সৌভিক সিকদার, পূর্ব বর্ধমান-:          নববর্ষ মানেই নতুনের আবাহন। সেই নতুনকে বরণ করে নিতে মেতে উঠল গুসকরা-২ নং চক্রের ভেদিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খুদে পড়ুয়ারা।  বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে কচিকাচাদের কলকাকলিতে বিদ্যালয় চত্বর হয়ে উঠেছিল এক টুকরো আনন্দলোক, মুখরিত হয়ে ওঠে ভেদিয়া গ্রাম। স্থানীয় বাসিন্দারাও শিশুদের এই স্বতঃস্ফূর্ত উৎসবে সামিল হন।            অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরিবেশিত আবৃত্তি পাঠ, অঙ্কন, সঙ্গীত ও নৃত্য উপস্থিত শ্রোতাদের মুগ্ধ করে। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন চারজন শিক্ষার্থী একটি গ্রুপ নৃত্য পরিবেশন করে। উপস্থিত দর্শকরা হাততালি দিয়ে তাদের উৎসাহিত করেন। অনুষ্ঠানে অভিভাবকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।  ​           ​বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিপ্লব কুমার ধীবর বললেন, "শিক্ষার পাশাপাশি সংস্কৃতির চর্চা শিশুদের মানসিক বিকাশে অত্যন্ত জরুরি। আমাদের ছাত্রছাত্রীরা অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে এই বর্ষবরণ উৎসবে যোগ দিয়েছে।"

শতাব্দীর রোড শোয়ে জনজোয়ার, প্রচার তুঙ্গে তৃণমূলের

Image
অঙ্কিতা চ্যাটার্জ্জী, বারাবনি -:            বারাবনি ও সালানপুর অঞ্চলে দলীয় প্রার্থী বিধান উপাধ্যায়ের সমর্থনে সাংসদ শতাব্দী রায়ের রোড শো ঘিরে সৃষ্টি হলো এক অভূতপূর্ব জনজোয়ারের। বারাবনিতে বিধানকে পাশে নিয়ে হুডখোলা গাড়িতে চেপে প্রচারে নামেন শতাব্দী। শুরু থেকেই রাস্তার দুই ধারে দাঁড়িয়ে হাজার হাজার মানুষ প্রিয় তারকাকে এক ঝলক দেখতে ভিড় জমান। দলীয় পতাকা, দলীয় কর্মীদের উচ্ছ্বাস ও স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা শিল্পাঞ্চল। কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য। কার্যত জনজোয়ারে ভেসে যায় এলাকা। একই দৃশ্য চোখে পড়ে সালানপুরে।           ​রোড শো চলাকালীন সাংবাদিকদের শতাব্দী রায় জানান, "রাজ্য সরকারের বিভিন্ন  জনকল্যাণমুখী প্রকল্পগুলো তৃণমূলের জয়ের মূল ভিত্তি। তাছাড়া বাংলার মানুষের মনে মমতা ব্যানার্জ্জীর প্রতি গভীর আস্থা রয়েছে।" মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উপস্থিতি প্রমাণ করে, ​"এখানকার মানুষ ঘরের ছেলে বিধানকে চায়।  উন্নয়নের নিরিখে বারাবনি ও সালানপুরের মানুষ ফের ঘাসফুল শিবিরকেই আশীর্বাদ করবেন।"...

যোগীর হুঙ্কার: উন্নয়নে জোর ‘ডবল ইঞ্জিন’ তত্ত্বে

Image
রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, ফাইনাল এক্সপোজার -:           দলীয় প্রার্থী অরিজিৎ রায়ের সমর্থনে   নির্বাচনী প্রচারে এসে বারাবনির জনসভা থেকে ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সুর চড়ালেন ইউপির মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তার ভাষণের মূলে ছিল ইউপির উন্নয়নের খতিয়ান এবং এইরাজ্যের শাসনব্যবস্থার তীব্র সমালোচনা। ​          যোগী আদিত্যনাথ দাবি করেন, কেন্দ্র ও রাজ্যে একই দলের সরকার থাকলে উন্নয়নের গতি বহুগুণ বৃদ্ধি পায় এবং সাধারণ মানুষের কাছে দ্রুত পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়। ইউপির উদাহরণ টেনে তিনি জানান, সেখানে  পরিকাঠামো উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। তার দাবি, মাফিরাজ ও তোষণ রাজনীতির অবসান ঘটিয়ে বাংলার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই বিজেপির লক্ষ্য। বাংলায় বিভিন্ন ​কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সঠিক প্রয়োগের জন্য বিজেপির জয় জরুরি। ​       স্বামী বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং রামকৃষ্ণ পরমহংসের নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, "বাংলার মাটি সং...

তৃণমূল সাংসদকে লক্ষ্য করে বিতর্কিত পোস্টার: চাঞ্চল্য শিল্পাঞ্চলে

Image
রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, ফাইনাল এক্সপোজার -:           বিধানসভা নির্বাচনের আবহে তৃণমূল সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহাকে লক্ষ্য করে বিতর্কিত পোস্টার ঘিরে আসানসোল শিল্পাঞ্চলে   রাজনৈতিক শোরগোল শুরু হয়েছে। নির্বাচনের ঠিক মুখে এই ধরণের ‘নিখোঁজ’ পোস্টারকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে দড়ি টানাটানি এখন তুঙ্গে। ​        ​সম্প্রতি আসানসোলের বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় শত্রুঘ্ন সিনহার ছবি সম্বলিত কিছু পোস্টার দেখা যায়। 'লজ্জা' এবং 'উন্নয়ন কোথায়?'- এর মত কড়া বার্তা সম্বলিত পোস্টার গুলিতে মূলত তাকে ‘নিখোঁজ’ বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ, সাংসদকে এলাকায় দেখা যায়না।  ​          ​বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই তৃণমূল নেতৃত্ব সরাসরি বিজেপির দিকে আঙুল তুলেছে। তাদের দাবি, ​বিজেপি হারের ভয়ে এই ধরণের কুরুচিকর প্রচার চালাচ্ছে। ​শত্রুঘ্ন সিনহা নিয়মিত এলাকায় যাতায়াত করেন এবং মানুষের পাশে থাকেন। এই অভিযোগ অস্বীকার করে বিজেপি জানিয়েছে, এটি সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।         ​ নির্বাচন কমিশনের নজর...