Posts

বিপন্নতার মুখে প্রাণপ্রবাহ সিঙ্গারন? নদী ধ্বংসের আশঙ্কায় ফুঁসছে জনতা!

Image
অঙ্কিতা চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:         ​উন্নয়নের চকচকে মোড়কের আড়ালে কি তবে চিরতরে মুছে যেতে বসেছে একটি নদীর অস্তিত্ব? পশ্চিম বর্ধমানের জামুড়িয়ার পড়ারিয়া এলাকায় ইসিএলের এমডিও প্রকল্পকে কেন্দ্র করে সিঙ্গারন নদীর করুণ দশা আজ গোটা অঞ্চলের মানুষকে গভীর কান্নার জলে ভাসিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এক মর্মান্তিক ভিডিওতে নদী বাঁচাও আন্দোলনকারী ও বাউরী সমাজ শিক্ষা সমিতির আর্তনাদ আজ বাতাস ভারী করে তুলেছে। তাঁদের বুকের রক্ত নিংড়ানো অভিযোগ- শিল্পের কোপে গলা টিপে হত্যা করা হচ্ছে নদীটির স্বাভাবিক প্রাণপ্রবাহকে!      ​প্রকৃতির কোলে এই নিষ্ঠুর আঘাত কেবল একটি নদীকে বাঁচানোর লড়াই নয়, এটি হাজারো মানুষের বেঁচে থাকার অস্তিত্ব রক্ষার কান্না। প্রশাসনের নীরবতা ও সংশ্লিষ্ট কোম্পানির উদাসীনতা আজ প্রশ্ন তুলছে- তবে কি মুনাফার কাছে অসহায় আমাদের পরিবেশ? যদি এই অভিযোগ সত্যি হয়, তবে আসন্ন দিনে এক ভয়ংকর পরিবেশগত বিপর্যয়ের অভিশাপ নেমে আসবে এই জনপদে।       ​মানুষের হাহাকার ও সোশ্যাল মিডিয়ার তীব্র ক্ষোভের মাঝেও আজ থমকে আছে প্রশাসন। নদীমাতৃক এই ...

জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্র জালিয়াতির অভিযোগ: পশ্চিম বর্ধমানে পুলিশি অভিযান ও নথি বাজেয়াপ্ত

Image
রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:            জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্র প্রদানে বেনিয়মের অভিযোগে রাজ্যজুড়ে শোরগোলের মাঝেই এবার পশ্চিম বর্ধমানের বিভিন্ন পঞ্চায়েত ও প্রশাসনিক কার্যালয়ে একযোগে অভিযান চালালো পুলিশ। বৃহস্পতিবার বারাবনি ব্লকের আটটি গ্রাম পঞ্চায়েত এবং সালানপুর ব্লকের ১১টি পঞ্চায়েতে পুলিশি তল্লাশি চালানো হয়।        ​প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, বারাবনি থানার পুলিশ ছয়টি ও নর্থ থানার পুলিশ বাকি দুটি পঞ্চায়েতে হানা দেয়। একই সঙ্গে আসানসোল পুরনিগমের কুলটি বোরো কার্যালয়ের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন বিভাগেও পৃথক তল্লাশি চালানো হয়। তদন্তকারী দল জন্ম-মৃত্যু সংক্রান্ত রেজিস্টার, আবেদনপত্র ও বিভিন্ন সরকারি নথি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করেছে। কর্মীদের সঙ্গেও কথা বলেন তদন্তকারী আধিকারিকেরা।        ​প্রাথমিকভাবে রাজ্য সরকারের নির্দেশেই এই তদন্ত শুরু হয়েছে বলে পুলিশের দাবি। তবে অনিয়মের প্রকৃতি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনও ব্যাখ্যা মেলেনি। মন্ত্রীর রাজনৈতিক মন্তব্য ...

আসানসোলে সোনার দোকান ও হোটেলে দুঃসাহসিক চুরি, চাঞ্চল্য

Image
​ রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:        কুলটি থানার সাকতোড়িয়া ফাঁড়ির নেপালি ধাওড়া এলাকায় একটি সোনার দোকান ও পাশের খাবার হোটেলে চুরির ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।      ​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুষ্কৃতীরা দোকানের গেটে প্লাস্টিক দিয়ে ঢেকে শাটার ভেঙে ভেতরে ঢোকে। তারা লক্ষাধিক টাকার সোনা-রুপোর অলংকার এবং নগদ প্রায় ৫ হাজার টাকা লুট করে। প্রমাণ লোপাট করতে দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরা ভেঙে হার্ডডিস্কও খুলে নিয়ে চম্পট দেয় তারা। পাশাপাশি, পাশের একটি খাবার হোটেলের তালা ভেঙে মূল্যবান বাসনপত্র ও অন্যান্য সামগ্রী চুরি করা হয়।     ​    ঘটনার খবর পেয়ে সাকতোড়িয়া ফাঁড়ির পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। তবে ঘন ঘন এমন চুরির ঘটনায় এলাকায় পুলিশি নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠেছে। আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা এলাকায় নিয়মিত পুলিশি টহল ও নজরদারি বাড়ানোর জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

রাস্তায় খানাখন্দ নাকি বিপদসঙ্কুল সুইমিং পুল? বেহাল রেল ফাটকে দুর্দশার অন্ত নেই

Image
​ রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:         রেল ফাটক মানেই কি সাধারণ মানুষের কপালে অবধারিত দুর্গতি? আসানসোলের ৭৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাঁতা ও খাটাল সংলগ্ন রেল ফাটকের রাস্তা দেখলে এমন প্রশ্নই জাগবে। বর্ষা বিদায় নিলেও এই রাস্তার বেহাল দশা দেখে বোঝার উপায় নেই যে উন্নয়নের জোয়ার বইছে। সামান্য ইট-পাথর ফেলে সাময়িক প্রলেপ লাগালেও কিছুদিন যেতে না যেতেই রাস্তাটি আবার মরণফাঁদে পরিণত হয়।        ​প্রতিদিন অটো বা টোটো উল্টে যাওয়ার দৃশ্য এখানে অত্যন্ত সুলভ। বিশেষ করে রাতের অন্ধকারে যাতায়াত করতে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েন পথচারীরা। প্রাক্তন সরকারের আমলে বহু দরবার ও বিক্ষোভ দেখানো হলেও কাজের কাজটি হয়নি।         এখন সাধারণ মানুষের শেষ সম্বল নতুন সরকার! প্রশ্ন উঠছে, নতুন সরকার কি আদৌ এই নাজেহাল দশা ঘুচাবে, নাকি প্রথাগত আশ্বাসের বুদবুদেই আটকে থাকবে জনজীবন? ভাঙা রাস্তার জাঁতাকলে পিষ্ট মানুষ এখন শুধু উত্তরের অপেক্ষায়।

বৃষ্টিতে জলমগ্ন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, বেহাল দশায় বিপন্ন শিশুরা

Image
​ রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:        সামান্য বৃষ্টি নামলেই জলমগ্ন হয়ে পড়ে সালানপুর ব্লকের বোলকুন্ডা দাসপাড়ার ৮৫ নম্বর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র। জরাজীর্ণ ভবনের মেঝেতে নোংরা জল জমে থাকায় বসার সামান্য শুকনো জায়গাও থাকে না। ফলস্বরূপ, জল-কাদার মাঝেই দিন কাটাতে বাধ্য হচ্ছে একরত্তি শিশুরা। এর ফলে তাদের পঠনপাঠন ও পুষ্টিমূলক খাবার বিতরণ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।      ​কেন্দ্রের সহায়িকা জানান, ঘরের বেহাল দশা ও শিশুদের নিরাপত্তার কথা বারবার উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের জানালেও কেবল আশ্বাস মিলেছে, কোনো কাজ হয়নি। বর্তমান সরকারের আমলে দ্রুত এই কেন্দ্রটি মেরামত করা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।       ​দীর্ঘদিনের এই প্রশাসনিক উদাসীনতায় স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত স্থায়ী সমাধান না হলে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

কুলটি বোরো কার্যালয়ে পুলিশের হানা: জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্র জালিয়াতির সন্দেহ

Image
​ রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:        আসানসোল পৌরনিগমের কুলটি বোরো কার্যালয়ের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন বিভাগে পুলিশের আকস্মিক অভিযানে বৃহস্পতিবার প্রশাসনিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পুলিশ আধিকারিকরা সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিভিন্ন নথি, রেজিস্টার এবং কম্পিউটার ডেটা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখেন। পাশাপাশি দপ্তরের কর্মীদের সঙ্গেও কথা বলে একাধিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়।     ​প্রাথমিক সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্য সরকারের নির্দিষ্ট নির্দেশের ভিত্তিতে জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্র সংক্রান্ত কিছু গুরুতর অভিযোগের পরেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। তবে ঠিক কী সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।       ​হঠাৎ এই পুলিশি হানায় দপ্তরের কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। এই ঘটনার ফলে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় কোনও গভীর অনিয়ম বা জালিয়াতির যোগ রয়েছে কি না, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র জল্পনা দানা বেঁধেছে। পুলিশ জানিয়েছে, সমস্ত নথি যাচাইয়ের পর পরবর্তী আই...

আসানসোলে ব্যবসায়ীর বাড়িতে এসটিএফের অভিযান

Image
রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:        পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলের রেলপাড় এলাকায় পরিবহণ ও একাধিক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ী নানহে মিস্টারের বাড়িতে বৃহস্পতিবার স্পেশাল টাস্ক ফোর্স বা এসটিএফ (STF) অভিযান চালিয়েছে। এই আকস্মিক অভিযানের সময় গোটা বাড়িতে নিবিড় তল্লাশি চালান তদন্তকারী আধিকারিকরা। সেইসঙ্গে মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথি ও অন্যান্য সামগ্রীও খুঁটিয়ে দেখা হয়।        ​হঠাৎ এই হানার জেরে গোটা এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এই তল্লাশি অভিযান এবং মামলার প্রকৃতি সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত এসটিএফের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মহলে কৌতূহল ও জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে।