খুনের অভিযোগের কালো মেঘ কাটল, দু’বছর পর আদালতে স্বস্তির রায়


সংবাদদাতা, নিউজ হিন্দুস্থান -:

    একটি মৃত্যুকে ঘিরে উঠেছিল খুনের অভিযোগ। সেই অভিযোগের ভার কাঁধে নিয়ে দু’বছরেরও বেশি সময় ধরে আদালতের দরজায় ঘুরেছেন দুই ট্রাকচালক। অবশেষে সাক্ষ্য, শুনানি ও পেশ করা তথ্যপ্রমাণের পর বুধবার সেই দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ে ইতি টানল আসানসোল আদালত। তথ্যপ্রমাণের অভাবে খুনের মামলা থেকে বেকসুর খালাস পেলেন রবিরঞ্জন কুমার ও ছটু সাউ।

     আসানসোল আদালতের এডিজে (চতুর্থ) বিশাখা মণ্ডল (দাস) সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানি শেষে দু’জনকেই খালাসের নির্দেশ দেন। তাঁদের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী ডি ডি মুখোপাধ্যায় ও অঙ্কিত মুখোপাধ্যায়। সরকারি আইনজীবী বা পিপি হিসেবে ছিলেন প্রবীর চট্টরাজ ও অশোক ঘোষ।

    পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের গোড়ায় কুলটি থানার চৌরঙ্গী ফাঁড়ির কাছে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের ট্রাক পার্কিং জোনে কয়েক জন ট্রাকচালকের মধ্যে বিবাদ হয়। সেই ঘটনার পর সুবোধ কুমার যাদব নামে এক ট্রাকচালকের মৃত্যু হয়। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ খুনের মামলা রুজু করে এবং রবিরঞ্জন ও ছটু সাউকে গ্রেফতার করে। তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় মামলা করা হয়।

     মামলা চলাকালীন প্রায় ২০ জন সাক্ষ্য দেন। পুলিশের তরফেও আদালতে বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ পেশ করা হয়। কিন্তু দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ার শেষে সেই প্রমাণ অভিযুক্ত দু’জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রতিষ্ঠার জন্য যথেষ্ট বলে প্রতীয়মান হয়নি।

    আইনজীবী ডি ডি মুখোপাধ্যায়ের বক্তব্য, সাক্ষ্য ও পুলিশের পেশ করা তথ্যপ্রমাণ তাঁর মক্কেলদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি। অবশেষে আদালতের রায়ে দু’বছরেরও বেশি সময়ের অনিশ্চয়তার পর মুক্তির স্বস্তি ফিরল দুই পরিবারের জীবনে।

Comments

Popular posts from this blog

পড়ুয়াদের নিয়ে শিক্ষামূলক ভ্রমণের আয়োজন করল আমতা নিত্যানন্দ উচ্চ বিদ্যালয়

সৌভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রতির বন্ধনে পালিত হলো লাচ্ছা সেমাই উৎসব

জামগ্রাম অঞ্চলে দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচিতে বারাবনি বিধায়ক তথা মেয়র বিধান উপাধ্যায়