সীমানার প্রহরে সতর্ক চক্ষু: আঁধার ফুঁড়ে ছাইচাপা ধাতুর জয়গান
রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:
ঝাড়খণ্ড আর বাংলার সীমানা জুড়ে যেখানে শেষ রাতের নির্জনতা ঘুমিয়ে থাকে, সেখানেই মঙ্গলবার ভোরে রচিত হলো এক নৈশ প্রহরীর সাফল্যের নীরব কাব্য। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দা বিভাগের তীক্ষ্ণ নজর ও গোপন তথ্যের সঠিক সুতোয় বন্দি হলো এক চোরাচালানের জাল। অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে বিহার থেকে আসা যাত্রীবাহী বাসে বিপুল কয়েন পাচারের যে কুটিল চক্রান্ত গড়া হয়েছিল, তা মুহূর্তেই ধূলিসাৎ করে দিলেন প্রখর বুদ্ধিমান তদন্তকারীরা।
১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের কুলটি সীমানায় চলন্ত বাসে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হলো তিনটি বস্তাবন্দি ধাতব মুদ্রা। এক টাকার ক্ষুদ্র সঞ্চয় থেকে কুড়ি টাকার গর্জন- সব মিলে প্রায় তিন লক্ষাধিক টাকার স্তূপ। কোনো যাত্রী বা বাসের কর্মী যার স্বত্ব স্বীকারের সাহস পায়নি, তাকে ছোঁ মেরে ছিনিয়ে আনল আইনের হাত।
কোনো রহস্যময় কালো টাকার খেলা বা বেআইনি চক্রের কারসাজি রূপ পাওয়ার আগেই বানচাল হয়ে গেল এই অভিযানের কাছে।
সীমানার পাহারাদারদের এই দূরদর্শী সফলতা কেবল বিপুল মুদ্রার উদ্ধার নয়, বরং অপরাধের ঘন অন্ধকারে আইনের এক উজ্জ্বল ও সাহসী আলোর জয় ঘোষণা।
Comments
Post a Comment