২৩ লক্ষ স্বপ্নের ভিড়ে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র: বারাবনির সাহিদ ইরফানের সাফল্যে জেগে উঠল নতুন আশা


অঙ্কিতা চ্যাটার্জ্জী, নিউজ হিন্দুস্থান -:

       স্বপ্নের কোনো ঠিকানা হয় না, তবে তার ডানা মেলে কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় আর পরিবারের অকুণ্ঠ ভালোবাসায়। সেই সত্যকেই আবারও প্রমাণ করলেন বারাবনির কৃতী ছাত্র সেখ সাহিদ ইরফান। চিকিৎসাবিজ্ঞানের সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা NEET-এ ২৩ লক্ষ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করে তিনি সর্বভারতীয় মেধাতালিকায় ১৩,১০৬তম স্থান অধিকার করেছেন। তাঁর এই কৃতিত্ব শুধু পরিবারের নয়, গর্বিত করেছে গোটা বারাবনি অঞ্চলকেও।

      সাফল্যের শিখরে পৌঁছেও সাহিদ রয়ে গেছেন মাটির মানুষ। তাঁর কথায়, এই অর্জনের সবচেয়ে বড় কারিগর তাঁর মা-বাবা। ছোটবেলা থেকেই তাঁদের স্নেহ, শাসন ও সঠিক দিকনির্দেশনাই তাঁকে লক্ষ্যে অবিচল রেখেছে। পাশাপাশি বন্ধু, শিক্ষক এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিরলস সহযোগিতাকেও তিনি সমান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন।

      কেলজোড়ার অল-আমীন অ্যাকাডেমি থেকে বিদ্যালয় জীবন এবং পরবর্তীতে হাওড়ার খলিসানী শাখার অল-আমীন মিশনে উচ্চমাধ্যমিক ও NEET-এর প্রস্তুতি—এই দীর্ঘ পথচলায় শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও অধ্যবসায়ই ছিল তাঁর সবচেয়ে বড় পাথেয়।

      তবে সাহিদের স্বপ্ন শুধু একজন চিকিৎসক হওয়া নয়; তিনি হতে চান এমন একজন মানবিক চিকিৎসক, যিনি মানুষের কষ্ট লাঘব করবেন, অসহায়ের পাশে দাঁড়াবেন এবং নিজের জ্ঞানকে সমাজের কল্যাণে উৎসর্গ করবেন।

    আজ সাহিদ ইরফানের এই সাফল্য যেন অসংখ্য ছাত্রছাত্রীর কাছে এক জ্বলন্ত বার্তা - পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস ও পরিবারের আশীর্বাদ থাকলে কোনো স্বপ্নই অধরা থাকে না।

Comments

Popular posts from this blog

পড়ুয়াদের নিয়ে শিক্ষামূলক ভ্রমণের আয়োজন করল আমতা নিত্যানন্দ উচ্চ বিদ্যালয়

সৌভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রতির বন্ধনে পালিত হলো লাচ্ছা সেমাই উৎসব

বিশ্ব যোগ দিবসে বৃক্ষরোপণ ও গো-সেবা কর্মসূচি