ঋতুরাজ বসন্তের আগমনকে নেচে-গেয়ে উদ্যাপন করে ডায়মন্ড হারবার সোনামুখী বিদ্যাভারতি শিক্ষা নিকতনের শিক্ষার্থীরা
বাইজিদ মন্ডল: ডায়মন্ড হারবার:- বসন্ত উৎসব হল পশ্চিমবঙ্গে বাঙালীদের উদযাপিত একটি উৎসব। উৎসবটি প্রতিবছর ফাল্গুনী পূর্ণিমায় উদযাপিত হয়। পশ্চিমবঙ্গ ও বাঙালি অধ্যুষিত অন্যান্য ভারতীয় রাজ্যে উৎসবের প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। শান্তিনিকেতনে উৎসবের সবচেয়ে বৃহৎ আয়োজন দেখা যায়। এই উৎসবটি বিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশে পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে শুরু হয়েছিল,আজও চলে আসছে। এদিন ঋতুরাজ বসন্তের আগমনকে নেচে-গেয়ে উদ্যাপন করেছে ডায়মন্ড হারবার সোনামুখী বিদ্যাভারতি শিক্ষা নিকতনের শিক্ষার্থীরা। এসো এসো প্রাণের উৎসবে, দক্ষিণ বায়ুর বেণুরবে’ শিরোনামে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন শুরু হয় সকাল থেকে। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন, বাচ্চুলাল হালদার সোনামুখী বিদ্যাভারতি শিক্ষা নিকেতন ও প্রধান শিক্ষিকা স্বপ্না হালদার সোনামুখী বিদ্যাভারতি শিক্ষা নিকেতন সহ সকল শিক্ষক শিক্ষিকা ও অন্যান্য অতিথি বৃন্দ প্রমুখ। অতিথিদের পলাশ ফুলের রাখি পরিয়ে স্বাগত জানায় শিক্ষার্থীরা। স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ও স্কুলের পক্ষ থেকে বাচ্ছুলাল হালদার সকল পড়াদের অভিভাবক ও অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে বর্ণাঠো প্রভাত ফেরির মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু করেন।হলুদ-সবুজ-বাসন্তী-লাল রঙে খুদে গাইয়েদের শাড়ি-পাঞ্জাবিতেও ছিল এসব রঙের ছোঁয়া। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল আর অতুলপ্রসাদের বসন্তের গান গেয়ে শোনায় তারা। গানের সঙ্গে ছিল নাচের আয়োজন। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে উৎসব শেষ হয়।
শিক্ষার্থীদের পরিবেশনা শেষে বাচ্চুলাল হালদার তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন,এই কয়েক বছর ধরে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সকল শিক্ষার্থীদের নিয়ে বসন্ত উৎসব পালন করে আসছি,এতে আমরা আলালদা আনন্দ উপভোগ করি। তিনি আরও বলেন, ‘শহরে বসন্ত বোঝা যায় না। কিন্তু আমাদের মনে যদি রং থাকে, তাহলে বসন্তকে ঠিক চিনে নেব। প্রধান শিক্ষিকা স্বপ্না হালদার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, তোমাদের প্রকৃতির কাছে যেতে হবে। প্রকৃতিকে চিনতে হবে। ভালোবাসতে হবে। পরিবারে ভাষা-সংস্কৃতির চর্চা থাকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মত দেন তিনি। তিনি আরও বলেন কয়েক বছর ধরে এই বসন্ত উৎসব পালন করছি খুব ভালো লাগছে।
Comments
Post a Comment